CM Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর সঙ্গে পুলিশ-প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের জরুরি বৈঠক শেষ, কী নির্দেশ রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর ?
Bengal CM Suvendu Adhikari Police Meet: পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

সুমন ঘড়াই, হিন্দোল দে, কলকাতা: শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর, পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Bengal CM Suvendu Adhikari)। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি, সিপি-র সঙ্গে বৈঠক করেন শুভেন্দু।
এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে, রেড রোডের পাশে পিডব্লুডি-র ময়দান টেন্ট-এ চলে আসেন নব নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব, মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতা পুলিশ কমিশনার-সহ একাধিক কর্তা ব্যাক্তিরা। প্রায় ৪৫ মিনিট মতো তিনি বৈঠক সারেন। এবং বৈঠক সেরে তিনি বেরিয়ে যান সেখান থেকে। এবং তিনি (শুভেন্দু অধিকারী) বলছেন, তিনি সময় নষ্ট করতে রাজি নন। কারণ তিনি যা বার্তা দিয়েছিলেন, দলের যা নির্দেশ রয়েছে, সেই নির্দেশ তিনি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবেন।
বৈঠক শেষে তাপস রায় বেরিয়ে বলেন, রাজ্য পুলিশের কর্তা ব্যাক্তি-সহ রাজ্য প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তি যারা রয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে কিন্তু দীর্ঘক্ষণ আলোচনা সারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাপস রায় যেটা স্পষ্ট করলেন, যেটা মূলত কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়, সেই বিষয় নিয়ে প্রাথমিক স্তরে একটা আলোচনা হয়েছে। কীভাবে কী রূপরেখা তৈরি হবে, সেটা পরবর্তী ক্ষেত্রে স্থির হবে। এই দীর্ঘ ৪৫ মিনিট আলোচনার মাধ্যমে, যেহেতু তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, এবং সেই কারণে আগামীদিনের পথ চলা, কী কী করা যেতে পারে, সেই কারণেই রাজ্য প্রশাসনের কর্তা ব্যাক্তিদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ তিনি, বৈঠক সারেন শুভেন্দু অধিকারী।
নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার বিকেল ৫ টার সময়, নবান্ন সভাঘরে পুলিশের একটা উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক হবে। এই বৈঠকে থাকবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে ডিজি, সিপি, এসপি এবং পুলিশের অন্যান্য উচ্চপদস্ত কর্তারা। সঙ্গে স্বরাষ্ট্র দফতরের অফিসারেরাও থাকবেন। এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যে বিষয়ে সিদ্ধান্তটা নেবেন, তা হল ল্য অ্যান্ড অর্ডার। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতি যাতে একেবারে নিয়ন্ত্রণে থাকে, মেয়েদের নিরাপত্তা যাতে বজায় থাকে, যেটা বারবারই ভোটপ্রচারে এসে প্রতিশ্রুতি হিসেবে বক্তব্যে রেখেছিলেন। সেই জন্যই এই মিটিং।




















