Gyanesh Kumar: জ্ঞানেশ কুমারকে কমিশন থেকে সরানোর প্রস্তাবে সায় দিলেন না ওম বিড়লা, কাজ করল না তৃণমূলের 'কৌশল'?
Reject Opposition Notice: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরানোর প্রস্তাবে সায় দিলেন না লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, কাজ করল না তৃণমূলের 'কৌশল'?

দিল্লি: নির্বাচনে বিজেপির হয়ে কাজ করছে ভারতের নির্বাচন কমিশন, বিরোধীরা এই অভিযোগ এনেছেন বহুবার। নির্বাচন কমিশনকে বিজেপির বি-টিম বলেও কটাক্ষ করে তৃণমূল। তাই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে তাঁর পদ থেকে সরাতে লোকসভায় নোটিস দেয় বিরোধী দল। এই নোটিশ সংসদের দুই কক্ষে দেওয়া হয়েছিল। দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় কেটে গেলেও তার কোনও উত্তর পাচ্ছিলেন না তৃণমূল সহ বাকি বিরোধী দলগুলো। কিন্তু অবশেষে সোমবার জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর প্রস্তাব সংক্রান্ত ইমপিচমেন্ট নোটিস নিয়ে তাঁর মতামত জানিয়ে দিলেন।
ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরানোর প্রস্তাব সংক্রান্ত ইমপিচমেন্ট নোটিস সংসদের দুই কক্ষে জারি করে বিরোধীরা। বিরোধীদের এই প্রস্তাব খারিজ করে দিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণণ। জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরানোর প্রস্তাব আনে তৃণমূল, কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে-সহ বিরোধী দলগুলির সাংসদরা।
Lok Sabha Speaker Om Birla rejected the impeachment motion against Chief Election Commissioner (CEC) Gyanesh Kumar pic.twitter.com/sm9AB9ffI6
— ANI (@ANI) April 6, 2026
বিরোধী দলের সাংসদদের জমা দেওয়া নোটিস গ্রহণ না-করার কথা সোমবার জানিয়ে দিলেন ওম বিড়লা এবং সিপি রাধাকৃষ্ণণ। গত ১২ মার্চ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের জন্য এই নোটিস দেওয়া হয়েছিল লোকসভা ও রাজ্যসভা দুই কক্ষেই। সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দুই কক্ষের সমস্ত বিরোধী দলের সংসদের একটি বৈঠক হয়। তারপরই এই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
নিয়ম অনুযায়ী, কোনও গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে গেলে কমপক্ষে ১০০ জন সাংসদের স্বাক্ষর প্রয়োজন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অপসারণের প্রস্তাব আনতে বিজেপি বিরোধী সমস্ত দল একজোট হয়। লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে মোট ১৯৩ জন বিরোধী সাংসদ সই করেন সেই চিঠিতে।
কী কী অভিযোগ আনে বিরোধী দলগুলো ?
১. ভোটে কারচুপিতে মদত দেওয়ার অভিযোগ জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে।
২. ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) -এর বিষয় নিয়ে অভিযোগ।
৩. জ্ঞানেশ কুমারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে।
৪. রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ।
৫. নিয়োগ প্যানেলের বৈঠকে জ্ঞানেশ কুমারের নামে আপত্তি জানিয়ে রাহুল গান্ধীর ‘ডিসেন্ট নোট’।





















