Mamata Banerjee : যুবসাথীর টাকা কতদিন? আর লক্ষ্মীর ভাণ্ডারও ... বড় প্রতিশ্রুতি দিলেন মমতা
৩ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারে। শুধু তাই নয়, আগামী ৫ বছরে ১ কোটি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির আশ্বাস দেন অমিত শাহ

আর মাত্র এক সপ্তাহ! তারপরই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট। দিন যত এগোচ্ছে, ততই চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। বাড়ছে তরজা, বাড়ছে প্রতিশ্রুতি আর পাল্টা প্রতিশ্রুতির লড়াই। রাজ্যে একের পর এক সভা করে প্রচারে ঝড় তুলছেন অমিত শাহ ( Amit Shah ) । অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে জনসভা থেকে পাল্টা আক্রমণে শানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee ) ।
প্রতিশ্রুতির লড়াই তুঙ্গে
ভোটের আগে নিজেদের সংকল্পপত্র প্রকাশ করে বড় ঘোষণা করেছে বিজেপি। ক্ষমতায় এলে মহিলাদের প্রায় দ্বিগুণ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। পাশাপাশি, বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারে। শুধু তাই নয়, আগামী ৫ বছরে ১ কোটি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির আশ্বাস দেন অমিত শাহ ( Amit Shah )।
পাল্টা তৃণমূলের বার্তা
বিজেপির এই প্রতিশ্রুতিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। পিংলার সভা থেকে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন—রাজ্যে তৃণমূল সরকার থাকলে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ আজীবন চলবে। পাশাপাশি ‘যুবসাথী’ প্রকল্পেও যতদিন না চাকরি মিলছে, ততদিন আর্থিক সহায়তা চালু থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চলছে? আজীবন চলে যাবে আজকে আমি বলে গেলাম। সারা জীবন চলবে আমাদের সরকার আপনাদের শুধু আশীর্বাদ, দোয়া, শুভেচ্ছা চাই।”
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও যুবসাথী
সভা থেকে কেন্দ্রের বিরুদ্ধেও সরব হন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা পাওনা থাকা সত্ত্বেও তা রাজ্যকে দেওয়া হচ্ছে না। তবুও রাজ্য সরকার নিয়মিত বেতন, ভাতা ও প্রকল্পের সুবিধা চালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। একইসঙ্গে বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, অন্য রাজ্যে ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে তা বন্ধ করে দেওয়ার উদাহরণ রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বাংলার মানুষকে সতর্ক থাকার বার্তাও দেন তৃণমূলনেত্রী।
ভোটের আগে চূড়ান্ত লড়াই
ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে—এই লড়াই শুধু রাজনৈতিক নয়, প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবায়নেরও। একদিকে নতুন প্রতিশ্রুতি, অন্যদিকে চলমান প্রকল্পের ভরসা—এই দুইয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে এবার সিদ্ধান্ত নেবেন এ রাজ্যের ভোটাররা।
সেরা শিরোনাম




















