Modi Vs Mamata: 'শুনছি আজ রাতে আবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন, ওনার ভাষণ মানে...', মোদিকে ফের আক্রমণ মমতার
Mamata Banerjee: 'ওনার ভাষণ শুনে মানুষের রেশন মিলবে না, ওনার ভাষণ মানে মিথ্যা, জুমলা', মোদিকে আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের।

কলকাতা : জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর তা নিয়ে কটাক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, 'শুনছি আজ রাতে আবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ওনার ভাষণ শোনার জন্য কেউ বসে নেই। ওনার ভাষণ শুনে মানুষের রেশন মিলবে না। ওনার ভাষণ মানে মিথ্যা। জুমলা', আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের। আজ শনিবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
নরেন্দ্র মোদির আজকের ভাষণ সম্পর্কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাঙড়ের সভা থেকে বলেছেন, 'আজকে শুনছি উনি দেশের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ওনার ভাষণ শুনে মানুষের রেশন মিলবে না। আর ওনার ভাষণ মানে মিথ্যে ভাষণ, মিথ্যে ফুলঝুরি, মিথ্যে কথা, জুমলা।'
ভোটের আবহে প্রায় সমস্ত সভা থেকেই বারবার বিভিন্ন অভিযোগে নরেন্দ্র মোদি তথা বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে শোনা গিয়েছে বিজেপি এ রাজ্যে এলে বাঙালির মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। ভোটের সময় বিজেপি স্লো-ভোটিংয়ের পাশাপাশি স্লো-কাউন্টিং করবে বলেও অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেউ ভোট দিতে বাধা দিলে, পশ্চিমবঙ্গের মা-বোনেরা যেন ঝাঁটা হাতে তার প্রতিবাদ করেন, সেই নিদানও দিয়েছেন মমতা।
ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন সওকত মোল্লা। শনিবার তাঁরই সমর্থনে ভাঙড়ে সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'আমার খুব প্রিয় প্রার্থী সওকত মোল্লা। আমার কলকাতার সামনে ওকে দাঁড় করিয়েছি এই কারণে, কারণ, আমি ভারতের জন্য় অনেক কিছু করতে চাই। সওকতকে ভোট দিন। ভাঙড়বাসী যা চাইবেন, তাই করে দেব। কারও কথা শুনবেন না। কোনও নির্দলকে একটিও ভোট দেবেন না। আর বিজেপির টাকা নিয়ে যারা গদ্দারি করে, তাদের এই মাটিতে বিনাশ করুন। কবর দিন।' মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, 'আপনাদের এখানে জমির মিউটেশন বন্ধ করেছিলাম। কারণ গরিব মানুষের জমি দখল করে নিচ্ছিল বলে। সওকত জিতলে, আমায় যেটা বলবে, আমি সেটা করে দেব।' ভাঙড়ে সওকত মোল্লাকে তৃণমূলের প্রার্থী করা নিয়ে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, 'আমি ইচ্ছা করে ক্য়ানিং থেকে সওকতকে নিয়ে এসেছি, সওকতই আমায় বলেছিল, ৮টা থানা বানাতে। আমি এখানে ৮টা থানা বানিয়ে দিয়েছি। কলকাতা পুলিশের অধীনে। ওই আমাকে বলছিল, দিদি মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালটা শুরু হয়নি। আমি বললাম, ওরে, যাকে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে, সে করেনি। এখন ইসলামিয়া হাসপাতাল প্রস্তাব পাঠিয়েছে, ওটা আমরা করে দেব।'




















