West Bengal Assembly Election 2026: ভোট ঘোষণারও ১৫ দিন আগে রাজ্যে হাজির কেন্দ্রীয় বাহিনী, ২ দফায় এসেছে মোট ৪৮০ কোম্পানি
West Bengal Assembly Election 2026: এপ্রিলের ২৩ ও ২৯ তারিখে ২ দফায় ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গে। ২০০১ সালে এক দফায় ভোটের পর, এত কম দফায় কখনও বিধানসভা ভোট হয়নি এরাজ্য়ে।

West Bengal Assembly Election 2026: ভোট ঘোষণার অনেক আগেই রাজ্যে চলে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু শনিবার গিরিশ পার্কে গন্ডগোলের সময় কোথায় রাখা হয়েছিল তাদের? এই নিয়েই এখন তুঙ্গে তরজা। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিল রাজ্য বিজেপি। পাল্টা কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।
বেজে গেল ভোট-যুদ্ধের বিউগল। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা হয়ে গেল রবিবার। এপ্রিলের ২৩ ও ২৯ তারিখে ২ দফায় ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গে। ২০০১ সালে এক দফায় ভোটের পর, এত কম দফায় কখনও বিধানসভা ভোট হয়নি এরাজ্য়ে। শুধু দফা নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর ক্ষেত্রেও এবার দেখা গেছে নজিরবিহীন ছবি। অন্য়বার ভোট ঘোষণার পর রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে। কিন্তু, এবার ভোট ঘোষণারও ১৫ দিন আগে, পশ্চিমবঙ্গে চলে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
২ দফায় মোট ৪৮০ কোম্পানি এসেছে। কলকাতা ও বিভিন্ন জেলায় নিয়মিত টহলও দিচ্ছেন জওয়ানরা। কিন্তু, তারপরও যে প্রশ্নটা উঠছে, তা হল ভোটের সময় এই বাহিনীকে ঠিকমতো কাজে লাগানো হবে তো? ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় তাদের দেখা যাবে তো? প্রশ্নটা আরও জোরাল হয়েছে শনিবারের পর। শনিবার নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সমাবেশের আগে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গিরিশ পার্ক। বিজেপি কর্মীদের বাস ভাঙচুর করা হয়। পাল্টা মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলা হয়। রক্তাক্ত হতে হয়েছে পুলিশকেও।
এই ঘটনার পরও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে গন্ডগোলের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী কোথায় ছিল? কেন্দ্রীয় বাহিনীর অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে, মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লিখেছে রাজ্য বিজেপি। শনিবারের ঘটনার কথা তুলে ধরে সেখানে দাবি করা হয়েছে, উদ্বেগের বিষয় হল, ভোটের অনেক আগেই CAPF-এর বিশাল বাহিনী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও, শনিবার অশান্তি চলাকালীন ঘটনাস্থলে বা কলকাতার যে কোনও জায়গায় তাদেরকে দেখা যায়নি। আমরা এটাও জানিয়ে রাখতে চাই যে, ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিশের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, তাদের কাছে সম্ভাব্য অশান্তির খবর ছিল। তারপরও তারা CAPF-কে বাইরে রেখে দিয়েছিল।
অতীতে বহু নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক বেধেছে। ২০১৫-র পুরভোটের সময় হাজারদুয়ারি ঘুরতে দেখা গিয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকায় প্রশ্ন তুলেছিলেন খোদ বিজেপি প্রার্থীরাই। ভোটের ডিউটিতে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নন্দীগ্রাম থানায় বসিয়ে রাখার বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারীও। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে, ৮ দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে। সেই বছর সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এবার কী হবে? সেটাই দেখার।
সেরা শিরোনাম




















