WB Assembly Election 2026: 'একটা সুযোগ দিন', তৃণমূলের পার্টি অফিসে আচমকা হাজির বিজেপি প্রার্থী, এরপর...?
West Bengal Assembly Election 2026: সেই সময় পার্টি অফিসে উপস্থিত ছিলেন রায়ান ২ নম্বর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ধনঞ্জয় পাল সহ একাধিক নেতা-কর্মী ও সমর্থক।

কমলকৃষ্ণ দে, পূর্ব বর্ধমান: ভোটপ্রচারে বেরিয়ে সটান তৃণমূলের পার্টি অফিসে হাজির হলেন বর্ধমান উত্তরের বিজেপি প্রার্থী সঞ্জয় দাস। পার্টি অফিসের বাইরে উপস্থিত থাকা তৃণমূল কর্মীদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম থেকে শুরু করে হাত জোড় করে ভোট চাইলেন তিনি। সেই সময় পার্টি অফিসে উপস্থিত ছিলেন রায়ান ২ নম্বর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ধনঞ্জয় পাল সহ একাধিক নেতা-কর্মী ও সমর্থক। তৃণমূল কর্মীদের কাছে বিজেপি প্রার্থীর আবেদন, "একটা সুযোগ দিন।" তৃণমূলের দাবি, এর থেকেই প্রমাণিত হয় তৃণমূল গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। পালটা বিজেপির দাবি, এটাই বাংলার সংস্কৃতি ছিল। দীর্ঘ ৩৪ বছর বাম শাসন ও ১৫ বছরের তৃণমূলের শাসনে সেই সংস্কৃতি নষ্ট হয়েছে। বিজেপি সেই হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনবে।
সৌজন্যতার রাজনীতি যেখানে বিরল, সেখানেই এই ছবি একটু অন্যরকম। এদিন তৃণমূল কর্মীদের কাছে গিয়ে নিজেই কথা বলেন বর্ধমান উত্তরের বিজেপি প্রার্থী। তৃণমূলের পার্টি অফিসে সেখানে উপস্থিত মহিলা সমর্থকদেরও বার্তা দেন বিজেপি প্রার্থী। তিনি আশ্বাস দেন যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার তো বন্ধ হবেই না, এমনকী অন্নপূর্ণ ভাণ্ডারও চালু হবে। বিজেপির তরফ থেকে লিফলেটও দেওয়া হল। একশো দিনের কাজও ফের শুরু হবে, এই আশ্বাস দেন বিজপি প্রার্থী।
স্থানীয় বিজেপি নেতা রমানন্দ মজুমদার বলেন, ''এটাই বিজেপির সংস্কৃতি। বিজেপি প্রার্থী ভোট প্রচারে গিয়েছিলেন। বাংলার মানুষও জানে যে ভোট মানে সব মানুষের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন আছে। আমরা তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম বিভেদ করিনি। আমরা সব জায়গায় যাচ্ছি। প্রচারে বেরিয়ে সঞ্জয় দাস তৃণমূলের পার্টি অফিসে গিয়ে আশীর্বাদ নিয়েছেন। সেখানে তৃণমূল কর্মীরাও আশীর্বাদ করেছেন সঞ্জয় দাসকে। বাংলার মানুষ সিপিএমের ৩৪ বছরে ও তৃণমূলের ১৫ বছরে এই সংস্কৃতি ভুলে গিয়েছিল। বিজেপি ফের এই সৌজন্যতার সংস্কৃতি বাংলায় নিয়ে আসবে।''
এদিকে বিষয়টিতে পাল্টা খোঁচা দিয়েছে জেলার তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের মতে, এতদিন বিজেপি প্রার্থী বারবার বলছিলেন যে তাঁকে প্রচারে না কি তৃণমূল কংগ্রেস বাধা দিচ্ছিল, কিন্তু ছবিটা তো উল্টো দেখা যাচ্ছে। বিজেপি প্রার্থী নিজেই সেই ছবিটা তুলে ধরেছেন বলে খোঁচা দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এমনকী তাঁরা এটাও বলেছেন যে প্রত্য়েকেই তাঁদের মত করে প্রচারে বেরোতে পারছেন, কোথাও কোনও সমস্যার ছবি নেই। তাই যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন।





















