Adhir Choudhury: 'ওগুলো তো টেরর এলাকা, ওখানে খোকাবাবু জেতে ৭-৮ লক্ষ ভোটে, লুঠপাট করেই জেতে' কাকে নিশানা অধীরের ?
EVM Tape Controversy: ইভিএমের টেপ প্রসঙ্গে অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছেন, 'ওগুলো তো টেরর এলাকা... ওখানে খোকাবাবু জেতে ৭-৮ লক্ষ ভোটে, লুঠপাট করেই জেতে। লুঠপাট করেই জেতে, কোনও ব্যাপারই না।'

কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় দফার ভোটে ইভিএম- এ টেপ লাগিয়ে রাখার অভিযোগ এসেছে প্রচুর জায়গা থেকে। এই প্রসঙ্গে এবার সরব হলে অধীর চৌধুরীও। বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী বলেছেন, 'টেরর এলাকা, লুঠপাঠ করেই জেতে তৃণমূল কংগ্রেস'। কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন অধীর চৌধুরীর। গতকাল বিজেপি নেতা অমিত মালব্য, সোশাল সাইটে ভিডিও পোস্ট করে অভিযোগ করেছিলেন, ইভিএমে বিজেপির বোতামে টেপ লাগানো আছে।
ইভিএমের টেপ প্রসঙ্গে অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছেন, 'ওগুলো তো টেরর এলাকা... ওখানে খোকাবাবু জেতে ৭-৮ লক্ষ ভোটে, লুঠপাট করেই জেতে। লুঠপাট করেই জেতে, কোনও ব্যাপারই না। এবার যদি আটকে থাকে... কতটা আটকেছে জানি না, সেলোটেপ মেরে দেওয়া, এগুলো মেরে দেওয়া মানেই তো, এখানে ভোট দিও না। বোঝাই যাচ্ছে।' বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী আরও বলেন, 'রাজ্য জানত ডিএম, এসপিকে সরানো হবে। তাই আগে থেকে সেটিং করে রেখেছিল রাজ্য, রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলেরই দালালি করেছে।'
গুড়-বাতাসা খেয়ে 'ভোট পাহারা' ! পাচন তৈরি ৪ তারিখের জন্য
২ দফার ভোটের পর আরও কড়া কমিশন। জ্ঞানেশ কুমারের নির্দেশে ডায়মন্ডহারবারে গিয়ে স্ক্রুটিনি সুব্রত গুপ্তের। সুব্রত গুপ্তকে ফোনে নির্দেশ দেন জ্ঞানেশ কুমার। পর্যবেক্ষকদের নিয়ে নিজে স্ক্রটিনি করছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। ফলতা, মগরাহাট, সোনারপুর নিয়ে পরপর অভিযোগ। অভিযোগের সত্যতা খুঁজবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। দ্বিতীয় দফায় ফলতা, মগরাহাট, সোনারপুর নিয়ে অভিযোগ। স্ক্রুটিনির নির্দেশ CEC জ্ঞানেশ কুমারের। ডায়মন্ড হারবারে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।
২ দফার বিধানসভা ভোটে দারুণ সাড়া রাজ্যে, কী বলেছেন অধীর চৌধুরী
২ দফার বিধানসভা নির্বাচনে সাড়া ফেলে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। ব্যাপক হারে ভোট পড়েছে ২ দফাতেই। খুশি নির্বাচন কমিশনও। বেশি সংখ্যক মানুষ ভোট দিক, এটা ছিল কমিশনের অন্যতম লক্ষ্য। অনেকাংশেই তা পূরণ হয়ছে বলে জানান দিচ্ছে পরিসংখ্যান। কিন্তু হঠাৎ এবার কোন ফ্যাক্টর কাজ করল যে ভোট দিতে বুথমুখী হলেন এত মানুষ? বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলছেন, 'মানুষ যেভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, এটা সারা বাংলার ঘটনা। প্রথম দফাতেও প্রচুর পরিমাণে মানুষ ভোট দিয়েছেন, ৯৩ শতাংশ। এবারেও ৯০ হয়তো পার করবে। মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, ভোট দিতে যাচ্ছে। মানুষ মনে করছে ভোট দেওয়া যায়, তাই যাচ্ছে। এর পাশাপাশি এসআইআর মানুষকে তাড়া করছে। মানুষ মনে করছে ভোট না দিলে আগামী দিনে নাগরিকত্ব সংকটময়।'
সেরা শিরোনাম




















