Suvendu Adhikari: 'আমাদের সবচেয়ে বেশি ভোট যেখানে, সেখানে এসে উনি প্ররোচনা দিচ্ছিলেন', শুভেন্দুকেই নিশানা কাজরীর
West Bengal Assembly Election 2026: এদিন জয়হিন্দ ভবনে বুথ পরিদর্শনে এসেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তাঁকে ঘিরে ক্রমাগত জয় বাংলা স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল সমর্থকরা।

কলকাতা: যেমনটা আশঙ্কা করা গিয়েছিল, সেটাই হল। ভবানীপুরে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে বিক্ষোভ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ায়। কালীঘাটে এদিন জয়হিন্দ ভবনে বুথ পরিদর্শনে এসেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তাঁকে ঘিরে ক্রমাগত জয় বাংলা স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল সমর্থকরা। ভাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, ''এখানে শান্তভাবে ভোটদান চলছিল। উনি হঠাৎ করে এসে আমার ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। আমার ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। আমাদের সবচেয়ে বেশি ভোট যেখানে সেখানে এসে উনি অশান্তি করার চেষ্টা করছে। আমরা এসে থামানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু মানুষের আবেগ তো আটকানো যায় না। তাঁরা সবাই বলছেন যে আমরা শান্তিভাবে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। কিন্তু উনি এসে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেছেন যে ভোটটা ঠিক জায়গায় দেবেন, উনি কে বলার যে ভোট কে কোথায় দেবে? ওঁনাকে না কি আক্রমণ করা হয়েছে। কোনও প্রমাণ আছে? সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা বলা হচ্ছে। কেউ ওঁনাকে আক্রমণ করেনি।'
শুভেন্দু অধিকারী ওই নির্দিষ্ট বুথে যেতে সেখানে বিদায়ী বিরোধী দলনেতাকে ঘিরে চোর চোর স্লোগানও দেওয়া হয়। কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, 'ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে কে কোথায় ভোট দেবেন, তা বলার উনি কে? ভোটারদের পাশে গিয়ে বিভিন্নরমক মন্তব্য করছেন। ওঁনার পাশে দাঁড়িয়ে অনেকেই জয় শ্রী রাম বলে স্লোগান দিচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই ভবানীপুরের ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে এসে যদি জয় শ্রী রাম স্লোগান দেন, তাহলে তো এখানকার ৫০০ জন মানুষ জয় বাংলা বলে চেঁচাবেনই। উনি বলছেন সবাই নন ভোটার। কিন্তু উনি যাঁদের নিয়ে এসেছিলেন, তাঁরা সবাই নন ভোটার।'
এদিন যখন জয় বাংলা স্লোগান ওঠে শুভেন্দু অধিকারীকে উদ্দেশ্য করে, তখনই বিজেপি কর্মী সমর্থকরাও পাল্টা জয় শ্রী রাম স্লোগান দেন। এরপরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শুভেন্দু অধিকারী কমিশনকে ফোন করেন। দ্রুত সিআরপিএফ পাঠানোর জন্য ফোনে বলেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী ফোন করার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে লাঠিচার্জ শুরু করেন। জমায়েত দ্রুত সরানোর জন্য কড়া পদক্ষেপ নেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। কেন্দ্রীয় বাহিনী আসরে নামার পরে কিছুক্ষণ ভোট পর্বে বিঘ্ন হওয়ার পর ফের শুরু হয় ভোটদান। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন যে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে কেন্দ্রে ভোট সেখানেও তিনি জিতবেন।




















