Murshidabad Domkal: 'ভোট দিতে গেলেই মারবে, ওরা বসে রয়েছে...', ভোট শুরু হতেই অশান্তি মুর্শিদাবাদের ডোমকলে
West Bengal Assembly Election 2026: 'তৃণমূল ভয় দেখাচ্ছে, ভোট দিতে গেলেই মারবে, ওরা বসে রয়েছে', ডোমকলে সাংঘাতিক অভিযোগ ভোটারদের।

রাজীব চৌধুরী, মুর্শিদাবাদ, ডোমকল : ভোট শুরু হতেই সেই চেনা ছবি মুর্শিদাবাদের ডোমকলে (Murshidabad Domkal)। ভোটারদের অভিযোগ, তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। ভোট দিতে গেলেই মারধর (West Bengal Assembly Election 2026) করা হবে, এভাবেই ভয় দেখাচ্ছে শাসক দল, অভিযোগ ডোমকলের ভোটারদের একটা বড় অংশের। তাঁদের এও অভিযোগ, পুলিশ আসেনি প্রথমে। পরে এলেও তাঁদের কথা না শুনে উল্টে তাঁদের মারধর করেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীরও সেভাবে দেখা মেলেনি। গতকাল রাতেও অশান্ত হয়েছিল ডোমকল। আজ সকাল থেকেও অশান্ত ডোমকলের আবহাওয়া। ভয় দেখানো হচ্ছে, পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব নিচ্ছে না, তাই ভোট দিতে যেতে পারছেন না, এমনই অভিযোগ করেছেন ভোটাররা।
নির্বাচন কমিশন বারবার বলেছে এবার ভোট হবে নিরাপদে, অবাধে, শান্তিপূর্ণ এবং সুষ্ঠু ভাবে। হিংসামুক্ত ভোটের কথা বলেছিল কমিশন। বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনীও এসেছে রাজ্যে। অথচ প্রথম দফার ভোটের দিন সকালে ডোমকলে যখন ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ, সেই সময় আশপাশে সেভাবে দেখা যায়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী কিংবা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে, এমনই অভিযোগ করেন ভোটাররা। ডোমকলের রায়পুর গ্রামের ভোটাররা এই অভিযোগও করেছেন যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাঁদের ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূলের লোকেরা। ভোট দিতে গেলে মারা হবে, এভাবেই হুমকি দিয়েছে তৃণমূল, অভিযোগ ভোটারদের। আর এই গোটা পরিস্থিতিতে কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল না বলেই অভিযোগ করেন ভোটাররা।
ডোমকলের ভোটারদের অভিযোগ, তৃণমূলের লোকেরা তাঁদের ভয় দেখাচ্ছে। ভোট দিতে গেলে মারধর করা হবে বলে শাসিয়েছে তারা। সকাল থেকে ছিল না কেন্দ্রীয় বাহিনী। আসেনি পুলিশও। স্বভাবতই নিরাপত্তার কারণে ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন ভোটাররা। সকাল সকাল তাঁরা এসেছিলেন ভোট দিতে। কিন্তু ভয় দেখিয়ে তাঁদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ আসে। সেই সঙ্গে আসে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। মাইকিং করে পুলিশ জানায়, ভোটাররা যেন ভোট দিতে যান। ভোট দেওয়ার পর ভোটারদের নিরাপদে বাড়ি ফেরানো হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে। আপাতত পুলিশি নজরদারিতে লাইন দিয়ে ভোট দিতে যাচ্ছেন রায়পুর গ্রামের ভোটাররা। সকালে ভোটাররা অভিযোগ করেছিলেন যে মিডিয়া যাওয়ার পর সেখানে গিয়েছে পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী। আপাতত পুলিশি ঘেরাটোপে বুথমুখী ভোটাররা। কিন্তু সংশয়ে রয়েছেন তাঁরা। ভোট দেওয়ার পর কী হবে, আদৌ তাঁরা নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারবেন তো? ভোটারদের মনে উঠছে প্রশ্ন।




















