Dilip Ghosh: দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ তৃণমূলের, শুনে ব্যাঙ্গাত্মক হাসি বিজেপি প্রার্থীর
West Bengal Assembly Election 2026: তৃণমূল অভিযোগ করেছে, কমিশনের নির্দেশ অমান্য করেছেন খড়গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। যদিও তৃণমূলের করা এই নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ অস্বীকার দিলীপের।

খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর: দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের (West Bengal Assembly Election 2026) অভিযোগ আনলো তৃণমূল (Trinamool Congress)। খড়গপুর সদরের বিজেপি (BJP) প্রার্থীর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ করল তারা। জানা গিয়েছে, খড়গপুরের ২ জায়গায় চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে কথা বলেন স্থানীয়দের সঙ্গেও। কিন্তু তৃণমূলের অভিযোগ, প্রচারের সময় শেষের পরও রাজনৈতিক প্রচর করেছেন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল আরও অভিযোগ করেছে, কমিশনের নির্দেশ অমান্য করেছেন খড়গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী। যদিও তৃণমূলের করা এই নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।
খড়গপুর সদরের তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকার বলছেন, "উনি কী করে আজ প্রতিশ্রুতি দেন। কীভাবে উনি প্রচার করেন। কীভাবে উনি আজ চা চক্রে গিয়ে প্রচর করেন? কীভাবে করেন? নির্বাচন কমিশনকে আমি এটা নিয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। আমি একাধিক জায়গায় অভিযোগ জানিয়েছি।" এরপর নির্বাচন কমিশনকে তদন্ত করে দেখতেও বলেন খড়গপুর সদরের তৃণমূল প্রার্থী। তিনি বলেন, "নির্বাচন কমিশনকে আমি অনুরোধ করব, অবিলম্বে তদন্ত করে দেখা হোক, সত্যিই উনি এমন করেছেন কি না। এমন করে থাকলে ওঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।" এ ছাড়াও প্রদীপ সরকার এদিন বলেন, "প্রয়োজন হলে ওঁর প্রার্থীপদও বাতিল করা হোক।"
কিন্তু কী বলছেন খড়গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ? অভিযোগ শুনে তাঁর মুখে ব্যঙ্গের হাসি। সাফ জবাব দিলেন তিনি, বললেন কোনও নিয়ম তিনি ভাঙেননি। দিলীপ ঘোষ বলেন, "কোনও বিধিভঙ্গ করিনি আমি। জনসংযোগ করছি, লোকের সঙ্গে চা খাচ্ছি। যাঁরা লোকের সঙ্গে মিশতে পারে না তাদের সমস্যা। দেখুন, এঁরা আমাকে ডেকেছেন, আশীর্বাদ করেছেন।"
এদিকে, রাত পোহলেই নির্বাচন। প্রথম দফায় ১৭ জেলার মোট ১৫২ বিধানসভা কেন্দ্রে হবে নির্বাচন। ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় DCRC অর্থাৎ Dispersion Center and Receipt Center -গুলোতে চূড়ান্ত ব্যস্ততা। এই DCRC থেকেই ইভিএম ও অন্যান্য ভোট সামগ্রী নিয়ে যাওয়া নিয়ে চূড়ান্ত ব্যস্ত ভোট কর্মীরা। অন্যদিকে, ভোট দিতে ভিন রাজ্য থেকে ঘরে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। দিল্লি, বিহার, সিকিম সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে ট্রেনে, বাসে চেপে ফিরছেন তাঁরা। বাসগুলোতে উপচে পড়ছে ভিড়। জায়গা না থাকলে তাঁরা ভিড় করছেন বাসের ছাদেও।



















