West Bengal Election 2026: বর্ধমানে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা, তেড়ে গেলে বর্ধমান দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী
West Bengal Assembly Election 2026: বর্ধমান দক্ষিণে ধুন্ধুমার। বিজেপি প্রার্থীকে তৃণমূলের 'জয় বাংলা' স্লোগান।

বর্ধমান: জমায়েত করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টার অভিযোগ, তেড়ে গেলেন বর্ধমান দক্ষিণের (Bardhaman Dakshin) বিজেপি প্রার্থী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। পাল্টা বিজেপি প্রার্থীকে তৃণমূলের 'জয় বাংলা' স্লোগান ঘিরে উত্তপ্ত নীলপুর।
বর্ধমান দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী মৌমিতা জমায়েত করা কয়েকজনকে দেখে তাঁদের ধাওয়া করেন। অভিযোগ তাঁরা ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। তবে ক্যামেরা নিয়ে এগোতেই পালায় সেই জমায়েত। সেই জমায়েতরা তৃণমূল কর্মীরাই করেছিলেন বলে অভিযোগ। ক্ষুব্ধ বিজেপি প্রার্থীকে বলতে শোনা যায়, 'আয় আয়, জয় বাংলা স্লোগান দিবি আয়। ভিখারি! দেখুন দেখুন। অবস্থা দেখুন। সাহস থাকলে আয়।' পাল্টা অপরপ্রান্ত থেকেও 'জয় বাংলা'র জোর স্লোগান শোনা যায়।
পরে পুলিশের তরফে একাধিক ব্যক্তিকে আটকও করা হয়। বিজেপি প্রার্থী জানান, 'আমি যাচ্ছি পিছন থেকে এমন স্লোগান তুলছে। দম থাকলে সামনে আয়। নিজেদের তো স্লোগান নেই, বাংলাদেশ থেকে ধার করে আনা স্লোগান দিচ্ছে। তাও আমি তো গেলাম, সামনে আসতে বললাম।' পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভূমিকা নিয়ে তাঁর দাবি, 'আমি অভিযোগ করার পর পুলিশ প্রশাসন আসছে। কিন্তু এমন ঘটনা কেন ঘটবে? বুথের ৫০ মিটারের মধ্যে কেউ কেন আসবে?' তবে বিজেপি প্রার্থী মেনে নিচ্ছেন যে পুলিশ তাঁর অভিযোগের পরে দুইজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
আবার পূর্ব বর্ধমানেরই গলসিতেও তৃণমূল ও বিজেপি দ্বন্দ্ব দেখা গেল। এখানেও তৃণমূলকর্মীদের তাড়া করলেন বিজেপি প্রার্থী। গলসির ত্রিলোকচন্দ্রপুরেও ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তৃণমূলকর্মীদের তাড়া করলেন বিজেপি প্রার্থী রাজু পাত্র। একইরকম ছবি দেখা গেল মধ্যমগ্রামেও। এখানে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল এজেন্টের বিরুদ্ধে। বুথের মধ্যেই প্রভাবিত করার অভিযোগে সরব হন ISF প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা বর্মন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল অশান্তি শুরু হয়।
মধ্যমগ্রামের খামারপাড়া পঞ্চায়েতের রমাগাছি ২৯২ নম্বর বুথে ভোটারদের প্রভাবিত করার ঘটনায় উত্তেজনা শুরু হয়। ভোটারদের প্রভাবিত করছে তৃণমূল এজেন্ট। এই অভিযোগ আনেন ISF প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা বর্মন। প্রার্থীর অভিযোগে তৃণমূল এজেন্টকে বের করে দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার অভিযুক্ত তৃণমূল এজেন্ট। এই ঘটনার পরই বুথে ঢুকে তৃণমূল এজেন্টকে বের করে দেওয়ার দাবি জানান ISF প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা।




















