Chandrima Bhattacharya: রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী, রবিবাসরীয় প্রচারে বেরিয়ে এই কথা কাকে বললেন চন্দ্রিমা ? "ইলিশ ভাপা থেকে চিংড়ির মালাইকারি, সব বলা আছে, খেতে তো হবেই.."
TMC Candidate Chandrima Vote Campaign: জমজমাট রবিবাসরীয় প্রচার, বিশরপাড়ায় প্রচারে দমদম উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

অরিত্রিক ভট্টাচার্য, কলকাতা: জমজমাট রবিবাসরীয় প্রচার, বিশরপাড়ায় প্রচারে দমদম উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এদিন তিনি বলেন, বাজার জায়গাটাতেই অনেক মানুষ আসেন, প্রতিদিনের বাজার সেটা করবার জন্য। সুতরাং সেটা একটা বড় তো মাধ্যম তো বটেই জনসংযোগে। আমরা তাছাড়া, এই যে মাছের বাজারে মানুষ আসছেন, আমরা আরও অনুপ্রাণিত হচ্ছি। আমাদের এই বাজারগুলি টাটকা মাছ আসে। একদম টাটকা ইলিশ। ..যারা বলছেন ১৫ দিন থাকবেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আমরা ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে অনেকগুলি...আমরা বলেছি যে এগুলি অবশ্যই খেয়ে যাবেন। তার মধ্যে ইলিশের ভাপাও আছে। চিংড়ির মালাইকারি থেকে পাবদার ঝালও আছে, জানালেন তিনি। সব বলা আছে। খেতে তো হবেই। যারা খাবে, তাঁদের উপর নিষেধাজ্ঞা করে দেবেন। তাঁরা বলছে, আপনি এটা খেয়ে দেখুন কীরকম লাগে।
আরও পড়ুন, রাজ্য়ে প্রধানমন্ত্রী, আজ কোচবিহার রাসমেলা ময়দানে 'বিজয় সংকল্প সভা', দেখুন মোদির সফরসূচি
প্রশ্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তো ১৫ দিন থাকবেন বলেছেন, আজকে উত্তরবঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ভোট ঘোষণার পর প্রথমবার আসছেন। বিজেপিও অনেকটাই তাঁদের গুটি সাজাচ্ছে।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য: সে গুটি সাজাক, কোনও গুটিতে কোনও কাজ হবে না। এটা ঘোট হচ্ছে, গুটি নয়। সে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আসতেই পারেন, বাংলাটা তো গণতন্ত্রের জায়গা। তাই আমরা যখন অন্য জায়গায় যাই, স্টেশনে আটকে দেওয়া হয়। এয়ারপোর্টে আটকে দেওয়া হয়। আমরা কোনও এখানে,...মাননীয় নেত্রী, তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এমন কোনও নির্দেশ থাকে না যে, তাঁদের রাস্তায় আটকে দিতে হবে। সুতরাং তাঁরা আসছেন, প্রচার করবেন। এটা গণতন্ত্রের একটি পার্ট। সুতরাং তাঁরা চাইতেই পারেন মানুষের কাছে। কিন্তু মানুষ তাঁদের ভোট দেবেন না। এটা নিশ্চিত।
ভোট ঘোষণার পর প্রথম রাজ্য়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। উত্তরবঙ্গ থেকে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার শুরু। আজ কোচবিহার রাসমেলা ময়দানে 'বিজয় সংকল্প সভা'। বিজয় সংকল্প সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির। এদিন দুপুর ২ টা নাগাদ সামরিক বিমানবন্দরে নামার কথা প্রধানমন্ত্রীর। এবং সেখান থেকে হেলিকপ্টারে কোচবিহার শহরের দিকে পাড়ি দেবেন। কোচবিহারে যে স্থায়ী হেলিপ্যাড রয়েছে, সেখানে নামবেন নরেন্দ্র মোদি। এবং তারপর তিনি গাড়ি করে আসবে কোচবিহার রাসমেলার মাঠে। উল্লেখ্য, ২০২৫-এ ৫ বার পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী। চলতি বছর জানুয়ারিতে মালদা ও সিঙ্গুরে সভা করেছেন। সম্প্রতি কলকাতায় ব্রিগেডে সভা করেন নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে, ধর্মতলায় মঞ্চ বেঁধে ধর্নায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।





















