EC: কসবা থানার ওসিকে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের
Kasba Thana OC Suspend: প্রশ্নের মুখে সদুত্তর দিতে না পারায় কসবা থানার ওসি সাসপেন্ড, খবর কমিশন সূত্রে।

কলকাতা: কসবা থানার ওসিকে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের। গতকাল থানায় গিয়ে ওসিকে একাধিক প্রশ্ন কমিশনের আধিকারিকদের। প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারায় সাসপেন্ড ওসি । 'অপরাধীর তালিকায় সোনা পাপ্পুর নাম নেই কেন? ভুরি ভুরি অভিযোগ সত্ত্বেও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি?', প্রশ্নের মুখে সদুত্তর দিতে না পারায় সাসপেন্ড, খবর কমিশন সূত্রে।
আরও পড়ুন, "প্রতিটি পরিবারের একজনকে স্থায়ী চাকরি দেওয়া হবে..." ! ভোটের আগে ইস্তাহার প্রকাশ করে বড় চমক বামেদের
রাজ্যে ভোটের আগে কড়া কমিশন। পৃথক ইস্যুতে সাসপেন্ড করা হয়েছে একাধিক পুলিশ অফিসারদের। শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে রোড শো ঘিরে অশান্তির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভবানীপুর। সেই ঘটনায় এবার কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার কারণে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। সাসপেন্ডেড পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি কাল সকাল ১১টার মধ্যে CEO দফতরে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশ ঘিরে বৃহস্পতিবার উত্তপ্ত হয়েছিল ভবানীপুর। সেই ঘটনাতেই এবার কড়া পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ায়, ৪ জন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হল। তাঁরা হলেন, কলকাতা পুলিশের DC সাউথ টু সিদ্ধার্থ দত্ত, আলিপুর থানার OC প্রিয়ঙ্কর চক্রবর্তী অতিরিক্ত OC চণ্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সার্জেন্ট সৌরভ চট্টোপাধ্যায়। মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়ে, এঁদের বিরুদ্ধে, বিভাগীয় তদন্তেরও নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার সকাল ১১টার মধ্যে এনিয়ে মুখ্যসচিবকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ডিসি সাউথের নেতৃত্বে ওদের নির্দেশে এগুলো হয়েছে। এবারে আমাকে যেখানে বাধা দেবে আমি থানাতে গিয়ে বসে থাকব। আমি বলে দিলাম। আমাকে যেখানে বাধা দেবে নয় লালবাজারে অজয় নন্দের সামনে নয় থানার সামনে আমি সারারাত ধরে বসে থাকব। গণতন্ত্র বাঁচানোর এই লড়াইতে মানুষই জিতবে।
বৃহস্পতিবার অমিত শাহের রোড শো চলাকালীন,হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের মুখে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। সার্ভে বিল্ডিংয়ের কাছেও বিবাদে জড়ায় তৃণমূল ও বিজেপি।নির্বাচন কমিশনের দাবি,ওই এলাকায় শুধুমাত্র বিজেপির মিছিলের অনুমতি ছিল। বিনা অনুমতিতে সেখানে জড়ো হয়ে মাইক বাজান তৃণমূল কর্মীরা।এই ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে কালীঘাট থানায় ১টি ও আলিপুর থানায় দুটি FIR দায়ের করা হয়েছে।এর মধ্যে ১টি নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে, ও ২ দুটি পুলিশের স্বতঃপ্রণোদিত মামলা। সেই মামলায় ইতিমধ্যেই ৩৮ জন তৃণমূল কর্মীকে থানায় হাজিরার নোটিস দেওয়া হয়েছে।





















