West Bengal Election: ভোটের আগে কমিশনের বিরাট পদক্ষেপ ! এবার 'এমন' ব্যক্তিদের নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ
কেউ কেউ শুধুমাত্র পদমর্যাদা এবং সম্ভাব্য হুমকির অভিযোগ দেখিয়ে সরকারি নিরাপত্তা পাচ্ছেন। এই প্রেক্ষিতেই কমিশন কড়া অবস্থান নিয়েছে।

রুমা পাল, কলকাতা : ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত বা অপরাধমূলক অতীত থাকা সত্ত্বেও যাঁরা পদমর্যাদার জোরে নিরাপত্তা পাচ্ছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—এমন ব্যক্তিদের নিরাপত্তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
কমিশন কড়া অবস্থান ব্যক্তিগত সরকারি নিরাপত্তা প্রদান নিয়ে
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের স্টেট পুলিশ নোডাল অফিসারের কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত আপডেটেড স্ট্যাটাস রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, দুপুর ১২টার মধ্যে এই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। অভিযোগ, রাজ্যে এমন অনেক ব্যক্তি রয়েছেন, যাঁরা ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত বা অপরাধমূলক অতীত থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে জামিন বা প্যারোলে মুক্ত রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ শুধুমাত্র পদমর্যাদা এবং সম্ভাব্য হুমকির অভিযোগ দেখিয়ে সরকারি নিরাপত্তা পাচ্ছেন। এই প্রেক্ষিতেই কমিশন কড়া অবস্থান নিয়েছে।
কবে থেকে নিয়ম লাগু?
নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, ২ এপ্রিল রাতের মধ্যেই এই ধরনের সমস্ত ব্যক্তির নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হবে। পাশাপাশি, রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্র, পুলিশ জেলা এবং কমিশনারেট এলাকায় বর্তমানে কতজন ব্যক্তি নিরাপত্তা পাচ্ছেন, তাঁদের নাম, পদবী-সহ পূর্ণাঙ্গ তালিকাও চাওয়া হয়েছে। কমিশনের এই পদক্ষেপকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা জোরদার করার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বলেই মনে করছেন অনেকে।
বেআইনি জমায়েত রুখতে রাজ্যজুড়ে নিষেধাজ্ঞা
এদিকে, রাজ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক অশান্তির ঘটনাকে সামনে রেখে আরও কড়া হয়েছে কমিশন। বেআইনি জমায়েত রুখতে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কমিশনের অনুমতি ছাড়া কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করা যাবে না বলে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশ অমান্য করলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতারের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
শুধু তাই নয়, CEO দফতর-এ যাওয়ার ক্ষেত্রেও আগে থেকে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তৃণমূলপন্থী সংগঠন BLO অধিকার রক্ষা কমিটি-র ধর্নামঞ্চ নিয়েও সতর্কবার্তা দিয়েছে কমিশন। ফের যদি সেখানে মঞ্চ বেঁধে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত সাসপেনশনের নির্দেশ দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, মঙ্গল ও বুধবার দফায় দফায় অশান্তির পর ইতিমধ্যেই CEO দফতরের বাইরে দুটি বিক্ষোভমঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনওরকম প্রভাব খাটানো রুখতেই কমিশনের এই দ্বিমুখী কড়া পদক্ষেপ।
Before You Go
CM Suvendu Adhikari News: জেলে মোবাইল ব্যবহার, কড়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী; তদন্তভার CID-কে




















