Congress News : ৮ মাস আগে কংগ্রেসে যোগ দিয়েই বাজিমাত, আদর্শ অধীর চৌধুরী ; 'স্রোতের উল্টোদিকে চলা' পছন্দ জুলফিকরের
Congress News: প্রথমবার নির্বাচনী ময়দানে নেমেই কিস্তিমাত রানিনগরের কংগ্রেস প্রার্থী জুলফিকর আলির।

রানিনগর : মাত্র ৮ মাসে আগে কংগ্রেসে সংগঠন করা শুরু করেন। তার আগে কখনো কোনওদিন কংগ্রেসের কোনও মিটিং-মিছিল, পতাকা ধরা কোনও কিছুতে তিনি ছিলেন না। অধীর চৌধুরী ছোটবেলা থেকেই তাঁর আদর্শ ছিল। কিন্তু, আট মাস আগে তিনি সিদ্ধান্ত নেন, তিনি কংগ্রেস করবেন। আর প্রথমবার নির্বাচনী ময়দানে নেমেই কিস্তিমাত রানিনগরের কংগ্রেস প্রার্থী জুলফিকর আলির। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আব্দুল সৌমিক হোসেনের থেকে ২ হাজার ৭০১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তিনি। জুলফিকরের প্রাপ্ত ভোট ৭৯ হাজার ৪২৩।
কংগ্রেস প্রার্থীকে প্রশ্ন করা হয়, অধীর চৌধুরীকে গিয়ে কী বললেন ?
জুলফিকর আলি: অনেক নেতৃত্ব বলেছিলেন, একে টিকিট দিলে লড়ার মতো জায়গা আছে। যেখানে আমার বিরোধী যিনি ছিলেন তৃণমূলের, তিনি বাহুবলী বলা যায়। মান্নান হোসেন আমাদের এখানে সাংসদ ছিলেন। তাঁর ছেলে এখানে ৫ বছরের বিধায়ক ছিলেন তৃণমূলের। আমাদের লোকাল নেতৃত্ব দাদার ( অধীর চৌধুরী) কাছে অফারটা দেন। দাদা সবকিছু খোঁজখবর করে, পুরো কংগ্রেস হাইকম্যান্ড থেকে খোঁজখবর করার পর সেটা গ্রহণ করেন।
এবিপি আনন্দ : অধীর চৌধুরী কি আপনাকে চিনতেন ৮ মাস আগে ?
SIR ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হয়েছিল মামলা, ফরাক্কায় ৬ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে কং প্রার্থী
জুলফিকর আলি: এমনি মুখ চিনতেন। দু'-একবার দেখা হয়েছিল। ব্যক্তিগতভাবে। সেঅর্থে রাজনীতিক হিসাবে চিনতেন না।
এবিপি আনন্দ : ৮ মাস আগে এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন যে আপনি কংগ্রেস করবেন ?
জুলফিকর আলি : বাড়ির সবাই কংগ্রেস। আমার ব্যবসা কংগ্রেস পার্টি অফিসের পাশেই। কিন্তু দেখতাম, তৃণমূলের অত্যাচারে কংগ্রেসের পার্টি অফিসটা পর্যন্ত খুলতে দিত না। ছোটবেলা থেকে কংগ্রেস করি। দাদাকে ভালবাসি। দেখি, আর সহ্য হল না। ছোটবেলা থেকে কংগ্রেসকে সাপোর্ট করতাম। বাবা-মা সবাই কংগ্রেস। পুরো পরিবার কংগ্রেস। তখন দেখতাম, কংগ্রেস অফিস খুলতে দিত না , বিভিন্ন কংগ্রেস কর্মীর বিরুদ্ধে কেস। তোলাবাজি চলত এখানে। সেসব দেখতাম। একদিন দেখলাম, এর মোকাবিলা করতে সামনে আসতে হবে । নাহলে হবে না। অন্য দল করার অপশন ছিল-অফারও ছিল না। কিন্তু, আমার স্রোতে চলতে ভাল লাগে না। স্রোতের উল্টোদিকে চলতে বেশি ভাল লাগে।
প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেসের জন্য সবথেকে দুঃসংবাদ অধীর চৌধুরীর পরাজয়। এবার বহরমপুর কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন তিনি। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা আশা করেছিলেন, তিনি ভাল ফল করবেন। আশায় বুক বেঁধেছিলেন। কিন্তু পরাজিত হয়েছেন তিনি।
সেরা শিরোনাম





















