এক্সপ্লোর
জানেন কি? কঙ্গনা রানাওয়াতের ফিল্মি কেরিয়ার শুরু হয় এক কাপ কফি থেকে

মুম্বই: আজ কঙ্গনা রানাওয়াতের জন্মদিন। ৩১-এ পড়লেন তিনি। কঙ্গনা বলিউডের সেই বিরল ঘরানার শিল্পীদের অন্যতম, যাঁরা স্রেফ নিজের জোরে একটা ছবি হিট করাতে পারেন। তবে শুধু ছবির কারণে নয়, একের পর এক সোজাসাপটা মন্তব্যের জন্যও খবরের শিরোনামে থাকেন তিনি। মাত্র ২২ বছর বয়সেই জাতীয় পুরস্কার জিতেছেন বলিউডের সঙ্গে কস্মিনকালে সম্পর্ক না থাকা পরিবারের এই মেয়ে। বলিউডের কুইনের জন্ম হয় ১৯৮৭-র ২৩ মার্চ, হিমাচলের মান্ডির ছোট্ট গ্রাম ভাম্বলাতে। তাঁর মা শিক্ষিকা, বাবা ব্যবসায়ী। কঙ্গনারা ২ বোন, এক ভাই। স্কুলে বাস্কেটবল খেলতেন তিনি, পড়াশোনা করেছেন দেরাদুনের ডিএভি হাইস্কুলে। কঙ্গনার প্রথম ছবি ২০০৬-এ, গ্যাংস্টার। বিপরীতে ছিলেন শাইনি আহুজা ও ইমরান হাসমি। প্রথম ছবি থেকেই রাতারাতি তারকা হয়ে যান তিনি। কিন্তু তাঁর এই ছবি পাওয়ার পিছনে একটা গল্প আছে। তার আগের বছর সেপ্টেম্বরে পরিচালক অনুরাগ বসু কঙ্গনাকে একটি কফি শপে কফি খেতে দেখেন। তখনই তাঁকে ছবিতে কাজ দেওযার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তারপর কঙ্গনা সই করেন গ্যাংস্টারে।
এই ছবির জন্য তিনি সেরা নবাগতার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান। তারপর ও লমহে, লাইফ ইন আ মেট্রো ও ফ্যাশনের মত ছবিতে কাজ করেন কঙ্গনা। প্রতিটি ছবিতেই উচ্চ প্রশংসিত হয় তাঁর অভিনয়। বলিউডে নিজের জায়গা করে নেন তিনি। ২০১১-য় তাঁর তনু ওয়েডস মনু সুপারহিট আখ্যা পায়। ২০১৩-য় আসে কুইন-এর মত ছবি। তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস, সিমরন ও রঙ্গুন কঙ্গনাকে অভিনেত্রী হিসেবে শীর্ষ স্থানে পৌঁছে দেয়।
নেপোটিজম বিতর্কে গোটা বলিউডকে দুভাগে বিভক্ত করে দিয়েছিলেন কঙ্গনা। বলিউডের নামি দামি মুখ তাঁর পাশে না দাঁড়ালেও সাধারণের অকুণ্ঠ সমর্থন পান তিনি। তাঁর প্রেমিকদের নিয়েও প্রচুর বিতর্ক রয়েছে। বলা হয়, কেরিয়ারের শুরুতে কাজ পাওয়ার জন্য তিনি বাবার বয়সী অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চালির সঙ্গে লিভ ইন করতেন। তারপর সম্পর্ক তৈরি হয় শেখর সুমনের ছেলে অধ্যয়নের সঙ্গে। আর হৃতিক রোশনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি তো গত বছর টানা খবরের শিরোনাম ছিল। এখন তিনি ব্যস্ত নিজস্ব প্রডাকশনের ছবি মণিকর্ণিকা: দ্য কুইন অফ ঝাঁসি ছবির কাজে।
১২ বছরের কেরিয়ারে হিন্দি ও তেলুগু মিলিয়ে মাত্র ৩০টি ছবিতে কাজ করেছেন কঙ্গনা। এরই মধ্যে পেয়েছেন ৩টি জাতীয় পুরস্কার ও ৪টি ফিল্মফেয়ার!
এই ছবির জন্য তিনি সেরা নবাগতার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান। তারপর ও লমহে, লাইফ ইন আ মেট্রো ও ফ্যাশনের মত ছবিতে কাজ করেন কঙ্গনা। প্রতিটি ছবিতেই উচ্চ প্রশংসিত হয় তাঁর অভিনয়। বলিউডে নিজের জায়গা করে নেন তিনি। ২০১১-য় তাঁর তনু ওয়েডস মনু সুপারহিট আখ্যা পায়। ২০১৩-য় আসে কুইন-এর মত ছবি। তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস, সিমরন ও রঙ্গুন কঙ্গনাকে অভিনেত্রী হিসেবে শীর্ষ স্থানে পৌঁছে দেয়।
নেপোটিজম বিতর্কে গোটা বলিউডকে দুভাগে বিভক্ত করে দিয়েছিলেন কঙ্গনা। বলিউডের নামি দামি মুখ তাঁর পাশে না দাঁড়ালেও সাধারণের অকুণ্ঠ সমর্থন পান তিনি। তাঁর প্রেমিকদের নিয়েও প্রচুর বিতর্ক রয়েছে। বলা হয়, কেরিয়ারের শুরুতে কাজ পাওয়ার জন্য তিনি বাবার বয়সী অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চালির সঙ্গে লিভ ইন করতেন। তারপর সম্পর্ক তৈরি হয় শেখর সুমনের ছেলে অধ্যয়নের সঙ্গে। আর হৃতিক রোশনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি তো গত বছর টানা খবরের শিরোনাম ছিল। এখন তিনি ব্যস্ত নিজস্ব প্রডাকশনের ছবি মণিকর্ণিকা: দ্য কুইন অফ ঝাঁসি ছবির কাজে।
১২ বছরের কেরিয়ারে হিন্দি ও তেলুগু মিলিয়ে মাত্র ৩০টি ছবিতে কাজ করেছেন কঙ্গনা। এরই মধ্যে পেয়েছেন ৩টি জাতীয় পুরস্কার ও ৪টি ফিল্মফেয়ার! বিনোদনের (Entertainment) লেটেস্ট খবর এবং আপডেট জানার জন্য দেখুন এবিপি লাইভ। ব্রেকিং নিউজ এবং ডেলি শিরোনাম দেখতে চোখ রাখুন এবিপি আনন্দ লাইভ টিভিতে
আরও পড়ুন






















