এক্সপ্লোর
Drugs case: মাদক মামলায় কমেডিয়ান ভারতী সিংহর পর এবার তাঁর স্বামী হর্ষকেও গ্রেফতার করল এনসিবি
মাদক মামলায় নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) কমেডিয়ান ভারতী সিংহকে গতকালই গ্রেফতার করেছিল। এরপর তাঁর স্বামী হর্ষ লিম্বোচিয়াকেও গ্রেফতার করা হল। গতরাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এনসিবি ভারতীয় বাড়ি ও প্রোডাকশন অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল এব ৮৬.৫ গ্রাম গাঁজা বাজেয়াপ্তও করা হয়। হর্ষ ও ভারতী স্বীকার করেছেন যে, তাঁরা সেবন করেন।

মুম্বই: মাদক মামলায় নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) কমেডিয়ান ভারতী সিংহকে গতকালই গ্রেফতার করেছিল। এরপর তাঁর স্বামী হর্ষ লিম্বোচিয়াকেও গ্রেফতার করা হল। গতরাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এনসিবি ভারতীয় বাড়ি ও প্রোডাকশন অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল এবং ৮৬.৫ গ্রাম গাঁজা বাজেয়াপ্তও করা হয়। হর্ষ ও ভারতী স্বীকার করেছেন যে, তাঁরা সেবন করেন। মাদক মামলায় ভারতীকে এনসিবি আগেই গ্রেফতার করেছিল। এর আগে ধৃত মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে প্রাপ্ত সূত্র অনুসারে, এনসিবি গতকাল ভারতী ও তাঁর স্বামী হর্ষের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। তল্লাশিতে সন্দেহজনক পদার্থ (গাঁজা)-র হদিশ মেলে। দুপুর তিনটে থেকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ভারতীকে গ্রেফতার করা হয়। সূর্যাস্তের পর এনসিবি দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভারতীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাখা যেত না। তাই তাঁকে সূর্যাস্তের আগেই গ্রেফতার করা হয়। বাড়ি থেকে গাঁজা বাজেয়াপ্ত হওয়ার পর ভারতী ও হর্ষ দুজনকেই হেফাজতে নেয় এনসিবি। আজ মেডিক্যাল পরীক্ষার পর দুজনকেই আদালতে পেশ করা হবে। মাদক মামলায় বলিউডের বেশ কয়েকজন নামী, বিখ্যাত ব্যক্তিদের বাড়িতে এনসিবি হানা দিয়েছে। যাঁদের অন্যতম অভিনেতা অর্জুন রামপাল, চলচ্চিত্র প্রযোজক ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালা। সেই তালিকায় নবতম সংযোজন ভারতী। সরকারি ভাবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) বার্তা পাওয়ার পরই হিন্দি চলচ্চিত্র জগতে মাদক রাখা ও সেবনের ব্যাপারে তদন্তে নামে এনসিবি। ইডি-র বার্তায় বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুত মৃত্যু মামলায় মাদক সংগ্রহ, সরবরাহ, লেনদেন, খাওয়ার ব্যাপারে একাধিক চ্যাটের উল্লেখ রয়েছে। অকাল প্রয়াত সুশান্তের জন্য মাদক সংগ্রহের অভিযোগে ৯ সেপ্টেম্বর এনসিবি-র হাতে গ্রেফতার হন তাঁর গার্লফ্রেন্ড রিয়া চক্রবর্তী। মাসখানেক জেলে কাটানোর পর কিছুদিন আগে জামিন পান রিয়া।
Before You Go
Jisshu Sengupta: যাদের যাদের যা যা বলার, ভালো-মন্দ বা অভিমানের কথা, বলে ফেলা খুব জরুরি

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















