Hollywood Divorce: গার্হস্থ্য় হিংসার শিকার হলিউডের ডাকসাইটে নায়িকাও! শুধু প্রাণে মারতে বাকি রেখেছিলেন স্বামী, দাবি ‘বন্ড গার্ল’ ডেনিস রিচার্ডসের
Denis Richards Divorce: চার্লি শিনের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে জড়াতে ১২ বছর সময় নিয়েছিলেন ডেনিস। কিন্তু সাত বছরের মাথায় সেই বিয়ে ভাঙতে চলেছে।

লস অ্যাঞ্জেলস: পিছিয়ে পড়া দেশে সাধারণ গৃহবধূরাই নন শুধু। গার্হস্থ্য হিংসার শিকার ডাকসাইটে হলিউড অভিনেত্রীও। ‘বন্ড গার্ল’ ডেনিস রিচার্ডসের বৈবাহিক জীবনের ঝড়ঝাপটা নিয়ে এমনই চর্চা শুরু হয়েছে নেট-দুনিয়ায়। কারণ বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় যে তথ্য় তুলে ধরেছেন নায়িকা, তা রীতিমতো শিউরে ওঠার মতো। (Hollywood Divorce)
চার্লি শিনের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে জড়াতে ১২ বছর সময় নিয়েছিলেন ডেনিস। কিন্তু সাত বছরের মাথায় সেই বিয়ে ভাঙতে চলেছে। ইতিমধ্যেই বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন জানিয়েছেন ডেনিসের দ্বিতীয় স্বামী অ্যারন ফাইপার্স। সেই মামলায় আদালতে যে তথ্য জমা দিয়েছেন ডেনিস, তাতে সাড়া পড়ে গিয়েছে। (Denis Richards Divorce)
আদালতে যে তথ্য তুলে ধরেছেন, তার মধ্যে চোখে কালশিটের একটি ছবিও রয়েছে। অ্যারনের বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ তুলে ধরেছেন ডেনিস। ৭ জুলাই বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন জানান অ্যারন। ৪ জুলাই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন তিনি। অন্য দিকে, আদালতে ডেনিস জানিয়েছেন, গত ৪ জুলাই থেকে ১৪ জুলাইয়ের মধ্যেও তাঁকে মারধর করেন অ্যারন। অ্যারনের কাছে বেআইনি অস্ত্রও রয়েছে বলে জানিয়েছেন।
ছ’বছরের বৈবাহিক জীবনে অ্যারন তাঁকে বহুবার মারধর করেছেন বলে দাবি করেছেন ডেনিস। তাঁর বক্তব্য, “হিংস্র ভাবে আমার গলা টিপে ধরত অ্যারন। দু’হাত দিয়ে আমার মাথা পিষে দিতে চাইত। হাত বেঁকিয়ে দিত, কষে থাপ্পড় মারত গালে এবং মাথায়। মাথরুমে তোয়ালে রাখার যে ব়্যাক, তাতে আমার মাথ ঠুকে দিয়েছে, প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়েছে। আমাকে উল্টো করে মাটিতে ফেলে, হাঁটু দিয়ে চেপে রাখত। কাকুতি মিনতি করতে হতো মুক্তি পাওয়ার জন্য। আমার মেসেজ, নথিপত্র দেখতে ফোন এবং ল্যাপটপও হ্যাক করেছিল।”
এর পাল্টা, একটি সাক্ষাৎকারে ডেনিসের বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন অ্যারন। তাঁর দাবি, একজনের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ান ডেনিস। দু’জনে মধ্যে বিনিময় হওয়া মেসেজ পড়েছেন তিনি। ওই ব্যক্তির সঙ্গে দেখাও করতে রাজি হন ডেনিস। ডেনিস তাঁকে আঁচড়ে দিয়েছেন, মেরেছেন, এমনকি তাঁর ফোনও আছড়ে ভেঙে দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন অ্যারন।
২০১৮ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ডেনিস এবং অ্যারন। ডেনিসের দত্তক নেওয়া কন্যাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যারন নিজের বলে গ্রহণও করেন। একসঙ্গে ‘দ্য রিয়েল হাউসওয়াইভস অফ বেভারলি হিলস’-এর মতো সিরিজেও দেখা গিয়েছে তাঁদের। তাঁদের দাম্পত্য নিয়ে অনেকেই আশাবাদী ছিলেন। প্রথম জীবনে বিস্তর ঝড়ঝাপটা পোহানোর পর ডেনিস এতদিনে সঠিক মানুষ পেয়েছেন বলেও ধরে নেন অনেকে। এমনকি একটি সাক্ষাৎকারে ডেনিস নিজেও জানিয়েছিলেন যে তিনি কখনও অ্যারনের থেকে আলাদা হবেন না। কিন্তু এখন তাঁরা পরস্পরের বিরুদ্ধে যে সব মারাত্মক অভিযোগ তুলছেন, তাতে হতবাক সকলেই।
হলিউডের একসময়ের ডাকসাইটে নায়িকা ডেনিস। 'স্টারশিপ ট্রুপার্স', 'ওয়াইল্ড থিংস', 'জেমস বন্ড' সিরিজের 'দ্য ওয়র্ল্ড ইজ নট এনাফ'-এর মতো ছবি ঘরে ঘরে জনপ্রিয় করে তোলে তাঁকে। 'ডেনিস রিচার্ডস: ইটস কমপ্লিকেটেড', 'দ্য রিয়েল হাউজওয়াইভস অফ বেভারলি হিলসে'র মতো সিরিজেও সাফল্য পান। ডেনিসের আত্মজীবনী 'দ্য রিয়েল গার্ল নেক্সট ডোর' নিউ ইয়র্ক টাইমস 'বেস্ট সেলার' হিসেবে বিবেচিত হয়।





















