Satluj Controversy: কেন সরিয়ে নেওয়া হল দিলজিতের 'সতলুজ'? সরকারের তরফ থেকে কী জানানো হল?
Diljit Dosanjh: কেন্দ্রীয় সরকারের এক মন্ত্রীর তরফ থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব রাজ্য সরকারগুলিরও।

কলকাতা: দিলজিৎ দোসাঞ্জের (Diljit Dosanjh) নতুন সিনেমা, 'সতলুজ' (Satluj) নিয়ে বিতর্ক যেন আর থামছেই না। ওয়েব প্ল্যাটফর্ম জি ফাইভে (Zee 5)-এ মুক্তি পেয়েছিল এই সিনেমা। তবে মুক্তির দিন ২-এর মধ্যেই সিনেমাটি সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে কেন এই সিনেমা মুক্তির পরেও এইরকম বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়ে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র ছবিটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে এবার, সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ছবিটি বেআইনিভাবে স্ট্রিম করা হচ্ছিল। সেই কারণেই সিনেমাটি সমস্ত প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
কেন সরিয়ে নেওয়া হল দিলজিতের 'সতলুজ'? অবশেষে প্রকাশ্যে কারণ
তথ্যসংস্কৃতি দফতরের তরফ (Information and Broadcasting (I&B) Ministry) থেকে জানানো হয়েছে, সিনেমাটি আদৌ সেন্সর সার্টিফিকেটই পায়নি। ছবিটির নাম এর আগে রাখা হয়েছিল, 'পঞ্জাব ৯৫'। পরে সেন্সর বোর্ডে আপত্তিতেই এই ছবির নাম 'পঞ্জাব ৯৫' থেকে বদলে করে দেওয়া হয়, 'সতলুজ'। এখানেই শেষ নয়, সেন্সর বোর্ড থেকে এই ছবিটিকে সার্টিফিকেট পেতে, যা যা বদল করার কথা বলা হয়েছিল, তার অধিকাংশই করেনি এই সিনেমা। এর ফলে সিনেমাটি সেন্সর সার্টিফিকেট ও পায়নি। জানা গিয়েছে, সেন্সর বোর্ডের তরফ থেকে ছবিটিতে ১২৭টি দৃশ্য কাটার কথা বলা হয়েছিল। সেই কথা নাকি মানেননি ছবি নির্মাতারা। সেটা না মেনেই, ইচ্ছামতো স্ট্রিম করা হয়েছে এই সিনেমাটি। সেই কারণেই বাধ্য হয়ে এটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম থেকে। সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, সেন্সর বোর্ডের সার্টিফিকেট ছাড়া, এইভাবে সিনেমা স্ট্রিম করা যায় না।
কীসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই সিনেমা?
কেন্দ্রীয় সরকারের এক মন্ত্রীর তরফ থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব রাজ্য সরকারগুলিরও। তিনি বলেছেন যে, যে রাজ্যগুলিতে এই ছবিটি স্ট্রিম করা হচ্ছে, সেখানকার সরকারেরও এই ছবি স্ট্রিমিংয়ের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আপাতত এই বিতর্কিত বিষয়ে, দিলজিৎ দোসাঞ্জ বা ছবির নির্মাতাদের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি আসেনি। পঞ্জাবের প্রেক্ষাপটে এই ছবিটি তৈরি হয়েছে, যশবন্ত সিংহ নামে এক প্রাক্তন ব্যাঙ্ক ম্যানেজার এবং এক মানবাধিকার কর্মীর জীবনকে কেন্দ্র করে। ১৯৯০ সালে ২৫ হাজারেরও বেশি, শিখ যুবকের নিখোঁজ ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা সামনে এনেছিলেন এই যশবন্ত সিংহ। ১৯৯৫ সালে তাঁকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। এই মামলায় পরে ছ’জন পুলিশ অফিসার দোষী সাব্যস্ত হন। কিন্তু এই সিনেমা তৈরির একেবারে শুরু থেকেই বিভিন্ন বিতর্ক তৈরি হয়। সিনেমাটির বিষয়বস্তু থেকে শুরু করে, একাধিক দৃশ্য নিয়ে আপত্তি জানায় সেন্সর বোর্ড। তবে সিনেমাটি এখন নয়, তৈরি বয়েছিল ২০২২ সালে। এই সিনেমার পরিচালক হানি ত্রেহানের অভিযোগ ছিল, সেন্সর বোর্ড এই সিনেমাটি দেখার পরে, একটি ২টি নয়, মোট ১২৭ টি দৃশ্য ছেঁটে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।























