Vaibhavi Upadhyaya: 'তুমি চিরকাল আমার হৃদয়ে সুরক্ষিত থাকবে', ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন বৈভবী উপাধ্যায়ের হবু স্বামী
Jay Gandhi Pens Down An Emotional Note: সম্প্রতি আংটি বদল সেরেছিলেন। কথা ছিল বাকি জীবনটা একসঙ্গে হাতে হাত রেখে কাটাবেন। ভাগ করে নেবেন সুখ-দুঃখ। জীবনের চড়াই উতরাই একসঙ্গে পার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

নয়াদিল্লি: গত সপ্তাহেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় (car accident) প্রাণ হারান 'সারাভাই ভার্সেস সারাভাই' অভিনেত্রী বৈভবী উপাধ্যায় (Vaibhavi Upadhyaya)। হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh) হবু স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে পথ দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা। সেই সময়ে তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর হবু স্বামী জয় গাঁধী (Jay Gandhi)। তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও চোখের সামনে মৃত্যু হয় প্রিয় মানুষের। সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে হবু স্ত্রীকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করলেন জয়।
ইনস্টাগ্রামে প্রয়াত হবু স্ত্রীর জন্য খোলা চিঠি জয়ের
সম্প্রতি, ১৪ ফেব্রুয়ারি, আংটি বদল সেরেছিলেন। কথা ছিল বাকি জীবনটা একসঙ্গে হাতে হাত রেখে কাটাবেন। ভাগ করে নেবেন সুখ-দুঃখ। জীবনের চড়াই উতরাই একসঙ্গে পার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু কে জানত, সেই সফর শুরুর আগেই থমকে যাবে। বৈভবী উপাধ্যায় ও জয় গাঁধী। বাগদান সেরেছিলেন। গিয়েছিলেন হিমাচল প্রদেশে রোড ট্রিপে। সেখানেই দুর্ঘটনা। প্রাণ হারালেন অভিনেত্রী।
এদিন নিজেদের একটি ছবি পোস্ট করে জয় লেখেন, 'প্রত্যেকদিনের প্রত্যেক মিনিট তোমার কথা মনে পড়ে। তুমি কখনও সম্পূর্ণ চলে যেতে পারবে না, আমি সবসময় তোমাকে আমার হৃদয়ে সুরক্ষিত রাখব। খুব তাড়াতাড়ি ছেড়ে গেলে। শান্তিতে থেকো আমার গুণ্ডি, খুব ভালবাসি।'
এর আগে এক বিনোদন পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জয় বলেন, 'মানুষ ধরেই নেন যে রোড ট্রিপে সকলেই জোরে গাড়ি চালায়, কিন্তু এক্ষেত্রে তেমনটা ঘটেনি। আমাদের গাড়ি দাঁড় করানো ছিল এবং একটা ট্রাক পাস করার অপেক্ষায় ছিলাম। আমি খুব বেশি কথা বলার মতো অবস্থায় নেই, কিন্তু আমি নিশ্চিত করতে চাইছিলাম যে আমরা সিটবেল্ট পরিনি বা জোরে গাড়ি চালাচ্ছিলাম এমন ধারণা করে ফেলবেন না।'
অন্যদিকে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বৈভবীর ভাই অঙ্কিত। কীভাবে তিনি খবর পান, জানান। অঙ্কিতের কথায়, 'আমি হিমাচল প্রদেশ পুলিশের থেকে খবর পাই। ওঁরা জানান যে আমার বোন বৈভবী এক পথ দুর্ঘটনায় মারা গেছে। আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। অসাড় হয়ে গিয়েছিলাম। আমাকে জানানো হয় যে কোনও ভারী যান ওঁদের গাড়ি পিষে দিয়ে যায়, তাও প্রায় পুরোটা পেরিয়ে আসার পর শেষ মুহূর্তে, এবং ওদের গাড়ি একেবারে খাদে গিয়ে পড়ে। আমার বোন গাড়ি থেকে ছিটকে পড়ে বাইরে।' তিনিও জানান যে জয় গাড়ি দ্রুত চালাচ্ছিলেন তাও না, বৈভবী সিটবেল্ট পরেননি এমনও না। সবটাই ভুয়ো তথ্য। তাঁরা মদ্যপও ছিলেন না, দাবি অঙ্কিতের।
আরও পড়ুন: Weight Loss Program : ওজন কমাতে কীভাবে সাহায্য করে থালার মাপ ! অবাক করবে পুষ্টিবিদের এই ভিডিও
প্রসঙ্গত, অঙ্কিত ও বৈভবীর মা-বাবা অস্ট্রেলিয়ায় ছিলেন। সেখানেই ফোন করে বোনের দুর্ঘটনার কথা জানানো হয়, কিন্তু মর্মান্তিক পরিণতির কথা বলা হয়নি তাঁদের প্রথমে। সেখান থেকে মুম্বই ফেরার পরে তাঁদেরকে বৈভবীর মৃত্যুর কথা জানানো হয়।






















