Zee Saregamapa : 'খালি হাতে ফিরিনি' , সারেগামাপা-র মঞ্চে বিরাট প্রাপ্তি আরাত্রিকার, জানালেন নিজেই
এদিনের সন্ধেয় আরাত্রিকার পারফর্ম্যান্সে ছিল দেশাত্মবোধের ছোঁয়া , সেরা তিনে না থেকেও পেয়েছেন বিশেষ পুরস্কার।

কলকাতা : শেষ হল কয়েকমাস ব্যাপী সঙ্গীতের মহাযজ্ঞ। প্রকাশিত হল বাংলার জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো সারেগামাপা-র ফলাফল। প্রত্যেক প্রতিযোগীর মুগ্ধ করা পারফর্ম্যান্সের শেষে জানা গেল সেরার সেরাদের নাম। যুগ্মভাবে প্রথম স্থান পেলেন দেয়াশিনী ও অতনু। কিন্তু সঙ্গীতপ্রেমী মানুষের হৃদয়ে সকলেই রইলেন অনেকটা জায়গা জুড়ে। যেমন বাঁকুড়ার আরাত্রিকা। জি বাংলা সারেগামাপা-র জার্নি শুরুর প্রথম দিন থেকেই আলাদা করে নজর কেড়েছে সে। প্রথম থেকেই আরাত্রিকার নিবেদন ছিল স্বতন্ত্র। কখনও গণসঙ্গীতে করেছে মুগ্ধ , কখনও আবার তার দাপুটে নিবেদন 'পথে এবার নামো সাথী'। সারেগামাপা-র গ্র্যান্ড ফিনালেতে প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্থানে তার নাম নেই ঠিকই, কিন্তু এদিনও দেশাত্মবোধক গানের অনন্য উপস্থাপনায় মুগ্ধ করেছে আরাত্রিকা। আর সারেগামাপা-র মঞ্চ তাঁকে দিয়েছে বিশেষ সম্মান, কালিকাপ্রসাদ অ্যাওয়ার্ড । তাতেই আপ্লুত আরাত্রিকা। ফাইনাল অনুষ্ঠানের টেলিকাস্টের পরে আরাত্রিকার পোস্টের প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে অনেকটা আবেগ। লিখলেন, 'খালি হাতে ফিরিনি , শ্রদ্ধেয় কালিকা প্রসাদ স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছি ।'
আরাত্রিকা সেরা তিনে না থাকলেও অফুরান ভালবাসা পেয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় উপচে পড়েছে আরাত্রিকার গানের প্রশংসা। দেদার শেয়ার হয়েছে তার গানের ভিডিও। বাঁকুড়ার মেয়েকে আপন করে নিয়েছে সারা বাংলা। শুরুর দিনের নিবেদন থেকে গ্র্যান্ড ফিনালের পরিবেশনা , প্রতিটি ধাপে একটু একটু করে পরিণত তার পারফর্ম্যান্স। তাই মানুষকেই কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ফাইনালের পরে পোস্ট করেছেন আরাত্রিকা। ' সবচেয়ে বেশি পেয়েছি প্রচুর মানুষের ভালোবাসা , শ্রদ্ধেয় গ্রূমাদের কাছ থেকে প্রচুর টিপস , শ্রদ্ধেয় বিচারক এবং Zee Bangla - র টেকনিকেল টিমের প্রত্যেকের কাছ থেকে অগাধ ভালোবাসা '
জানিয়েছেন, ফাইনালের পরে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাংলা গান ভালবাসা মানুষদের ফোন পেয়েছে। কথা হয়েছে বাবার সঙ্গে। আরাত্রিকার কথায় , 'আর কী চাই'। তাঁর বিশ্বাস, 'সঙ্গীত শুধুমাত্র বিনোদনের বিষয় নয় , হতে পারেনা কখনো। ধন্যবাদ জানাই আমার সকল শুভাকাঙ্খীদের ,যারা এতদিন আমাকে সমর্থন জানিয়ে এসেছেন , সাহস জুগিয়েছেন । '
এদিনের সন্ধেয় আরাত্রিকার পারফর্ম্যান্সে ছিল দেশাত্মবোধের ছোঁয়া 'কদম কদম বড়ায়ে যা' থেকে ' ভারতভাগ্যবিধাতা', দাপুটে কণ্ঠে মুগ্ধ করেছেন সকলকে। এদিন বড়দের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন দেয়াশিনী। ছোটদের মধ্যে প্রথম হয়েছে অতনু।
আরও পড়ুন : '
সারেগামাপা-য় যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ছোট্ট অতনু, জয়ের পরেই সকলের কাছে কী চাইল সে?
'






















