Hair And Skin Care Tips: কারিপাতা, মেথি দিয়ে ফোটানো নারকেল তেল চুল এবং ত্বকের কোন কোন সমস্যা দূর করে নিমেষে ?
Methi And Curry Leaves Oil: নারকেল তেলের মধ্যে মেথি এবং কারিপাতা দিয়ে ভালভাবে ফুটিয়ে নিন। তারপর এই তেল ঠান্ডা করে কাচের পাত্র ভরে রাখুন। সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৩ বার এই তেল ব্যবহার করতে পারেন।

Hair And Skin Care Tips: চুলের সমস্যা আজকাল প্রায় সব বয়সীদের মধ্যেই দেখা যায়। নারী, পুরুষ নির্বিশেষে চুলের সমস্যায় জেরবার হন অনেকেই। আর বর্ষার মরশুমে তো মারাত্মক ভাবে বেড়ে যায় চুলের সমস্যা। কারও চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায় তো কারও চুল এবং স্ক্যাল্প হয়ে যায় চিটচিটে। অনেকের আবার খুশকির সমস্যা বৃদ্ধি পায় বর্ষাকালে। চুলের হাজারও সমস্যার সমাধান কিন্তু লুকিয়ে রয়েছে একটি তেলের মধ্যে। বাড়িতেই এই তেল তৈরি করে নেওয়া যায়।
কীভাবে তৈরি করবেন এই ঘরোয়া তেল
নারকেল তেলের মধ্যে মেথি এবং কারিপাতা দিয়ে ভালভাবে ফুটিয়ে নিন। তারপর এই তেল ঠান্ডা করে কাচের পাত্র ভরে রাখুন। সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৩ বার এই তেল চুল এবং স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করতে পারেন। উপকার পাবেন অনেক। এই তেল লাগিয়ে সারারাত রেখে দিন। তারপর সকালে ভালভাবে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন। অল্প কয়েকদিন এই ঘরোয়া তেল ব্যবহার করলেই ফারাকটা বুঝতে পারবেন আপনি। দূর হবে চুলের অনেক সমস্যা।
মেথি এবং কারিপাতা দিয়ে ফোটানো তেল চুল এবং স্ক্যাল্পে ব্যবহার করলে কোন কোন সমস্যা দূর হবে
- চুলে এবং স্ক্যাল্পে সঠিক মাত্রায় পুষ্টির জোগান দেয় মেথি-কারিপাতার এই তেল। চুল পড়ার সমস্যা কমাতে এবং নতুন চুল গজাতে এই তেলের জুড়ি মেলা ভার।
- মেথি-কারিপাতার তেল ব্যবহার করলে চুলের রুক্ষ ভাব দূর হয়। চুলের লালচে ভাব দূর হয়ে দেখতে লাগে চকচকে। খুশকির সমস্যা দূর করতেও কাজে লাগে মেথি-কারিপাতার তেল। চুলের মোলায়েম-নরম ভাব বজায় রাখবে এই তেলের ব্যবহার।
মেথি এবং কারিপাতা দিয়ে ফোটানো তেল চুলের পাশাপাশি ত্বকের জন্যেও খুব উপকারী, দূর করে অনেক সমস্যা
- ত্বকের র্যাশ, চুলকানি, জ্বালা, লালচে ভাব দূর করতে কাজে লাগে এই বিশেষ তেল। তবে আপনার সেনসিটিভ স্কিন হলে আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিন। তারপর ব্যবহার করুন এই তেল।
- অনেকের ক্ষেত্রে মেথি আর কারিপাতা মেশানো তেল ব্রনর সমস্যা মেটাতেও কাজে লাগে দারুণভাবে। যে অংশে ব্রন হয়েছে সেখানে আলতো হাতে এই তেল একদম সামান্য পরিমাণে লাগাতে পারেন। তবে যদি আপনার ত্বকে ব্রনর সমস্যা মারাত্মক আকার নিয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।






















