Colon Cancer: তরুণদের মধ্যে ক্রমেই বাড়ছে কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ, এই বিষয়গুলিতে সতর্ক না হলেই বিপদ
Colon Cancer Precaution: অতিরিক্ত ওজন বা স্হূলকায় হওয়ার কারণে শরীরে প্রদাহ ও হরমোনের বদল দেখা যায় যা কোলন ক্যানসারের কারণ হতে পারে। আর কী কী খেয়াল রাখতে হবে ?

Colon Cancer Precaution: গবেষণা ও চিকিৎসা প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে যে ৪৫ বছরের কম বয়সী তরুণদের মধ্যেও ক্রমেই কোলন ক্যান্সারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমনকী বহু তরুণ ভারতে কোলন ক্যান্সারের শিকারও হচ্ছেন। এই ক্যান্সার (Colon Cancer) সাধারণত বয়স্ক মানুষদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়, তবে জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের বদলের কারণে, দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে স্থূলতা ও ধূমপান ও ক্রমবর্ধমান মানসিক চাপের কারণে এই ক্যান্সার (Colon Cancer Precaution) দেখা দিচ্ছে তরুণদের মধ্যেও। এর সঙ্গে কিছু ক্ষেত্রে পেটের প্রদাহজনিত রোগও কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ করে। কী কী বিষয়ে খেয়াল রাখলে এই মারণ রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব ? কী জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা ?
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে
আপনার প্রতিদিনের খাবারে টাটকা শাক-সব্জি, ফল, ডাল জাতীয় ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার থাকা দরকার যা আপনার হজমশক্তিকেও উন্নত করে এবং কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। ফাইবার মলের পরিমাণ বাড়ায় এবং নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে, ফলে শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বেরিয়ে যায়।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা
অতিরিক্ত ওজন বা স্হূলকায় হওয়ার কারণে শরীরে প্রদাহ ও হরমোনের বদল দেখা যায় যা কোলন ক্যানসারের কারণ হতে পারে। সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ করলে শরীরের ওজন স্বাস্থ্যকর সীমার মধ্যে থাকে। খাবারের মধ্যে রেড মিট, প্রসেসড মিট যথাসম্ভব কম খাওয়ার কথা ভাবতে হবে।
জল খাওয়া যথাযথ হতে হবে
সারাদিনে প্রচুর মাত্রায় জল খেলে মল নরম হয় এবং মলত্যাগ মসৃণ হয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় এবং কোলনে জ্বালাভাব দূর করে, দীর্ঘসময় ধরে কোলনের দেওয়াল টক্সিনের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখে।
ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন বন্ধ করতে হবে
তামাকে থাকে কার্সিনোজেন যা শুধু ফুসফুসকেই নয়, বরং কোলন সহ পাচনতন্ত্রের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। অন্যদিকে অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন কোলন কোষের ক্ষতি করতে পারে।
কী কী লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হওয়া দরকার
তরুণ-কিশোরদের ক্ষেত্রে প্রায়ই মলদ্বার থেকে রক্তপাত, ক্রমাগত কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়ারিয়া, অব্যক্ত ওজন হ্রাস বা পেটে ব্যথার মত লক্ষণগুলিকে উপেক্ষা করে। এই লক্ষণগুলিতে মনোযোগ দেওয়া দরকার আর অবিলম্বে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার।
ডিসক্লেমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডিসক্লেমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Check out below Health Tools-
Calculate Your Body Mass Index ( BMI )






















