Liver Health: এই ৫ খাবারেই হবে ম্যাজিক, রোজ পাতে রাখলেই বেশি বয়সেও ভাল থাকবে লিভারের স্বাস্থ্য
Health Tips: বিভিন্ন ধরনের জাম খেলে লিভারে প্রদাহজনিত সমস্যা কমবে। জামের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস খেয়াল রাখে লিভারের। ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, র্যাসপবেরি, যেটা পছন্দ সেটাই খেতে পারেন।

Liver Health: আমাদের শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল লিভার। লিভারের অনেক কাজ রয়েছে শরীর-স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য। তাই এই অঙ্গে সমস্যা দেখা দিলে আপনার শরীরে অনেক অসুবিধা তৈরি হতে পারে। লিভারের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য অতি অবশ্যই নজর দিতে হবে খাওয়া-দাওয়ার দিকে। আপনি কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন, তার উপর অনেকটাই নির্ভর করে লিভার ভাল থাকা। তাই নিয়মিত কোন কোন খাবার খেলে লিভারের স্বাস্থ্য ভাল থাকবে, আপনার জন্য রইল সেই তালিকা।
অ্যাভোকাডো
অ্যাভোকাডো এমন এক ফল যার রয়েছে অনেক গুণ। তার মধ্যে একটি হল লিভারের স্বাস্থ্য ভাল রাখা। হেলদি ফ্যাট ও ফাইবার রয়েছে অ্যাভোকাডোতে। ব্রেকফাস্টে যাঁরা পাউরুটি খান, তাঁরা টোস্টের সঙ্গে মাখন কিংবা জ্যামের পরিবর্তে অ্যাভোকাডো পেস্ট দিয়ে খেতে পারেন। প্রথমে ফলের খোসা ছাড়িয়ে নিন। তারপর বীজ ফেলে দিন। এবার এর মধ্যে গোলমরিচ, সামান্য বিটনুন, আর অল্প লঙ্কা দিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে তা লাগিয়ে দিন পাউরুটির উপর। অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর খাবার এটি।
আখরোট
আখরোট খেলে ভাল থাকবে লিভারের স্বাস্থ্য। ওমেগা থ্রি অ্যাসিড যুক্ত আখরোট লিভার পরিশ্রুত রাখতে সাহায্য করে। রোজ আখরোট খেতে ২ থেকে ৩টের বেশি একেবারেই খাবে না। আগের রাতে জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খালি পেটে খেতে পারলে ভাল। আখরোট ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমায়। তার ফলে ভাল থাকে হার্ট। কবে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের প্রবণতা।
গ্রিন টি
গ্রিন টি লিভার থেকে উৎসেচক ক্ষরণে সাহায্য করে। গ্রিন টি অন্যান ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকেও রক্ষা করে লিভারকে। সকালে এক কাপ গ্রিন টি খাওয়া যেতেই পারে। তাই বলে সারাদিন ধরে কাপের পর কাপ গ্রিন টি খাওয়ার অভ্যাস কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল নয়। হিতে বিপরীত হতে পারে।
জামজাতীয় ফল
বিভিন্ন ধরনের জাম খেলে লিভারে প্রদাহজনিত সমস্যা কমবে। জামের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস খেয়াল রাখে লিভারের। ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, র্যাসপবেরি, যেটা পছন্দ সেটাই খেতে পারেন। ব্লুবেরি খেলে উপকার সবচেয়ে বেশি।
ফ্ল্যাক্সসিড বা তিসির বীজ
ওমেগা থ্রি অ্যাসিড যুক্ত ফ্ল্যাক্সসিড লিভারে ইনফ্লেমেশনের সমস্যা কমায় এবং সার্বিক ভাবে লিভারের খেয়াল রাখে। ফ্ল্যাক্সসিড ভেজানো জল রোজ সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। শুধু লিভার ভাল থাকবে তাই নয়, কমবে ওজন, দূর হবে পেটের সমস্যা। হজম সংক্রান্ত সমস্যাও দূর করবে এই বীজ ভেজানো জল।
হেলদি ফ্যাট যুক্ত মাছ
ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত মাছ যেমন স্যামন, ম্যাকারেল, সার্ডিন- এগুলি খাওয়া লিভারের স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। মাঝে মাঝে মেনুতে এইসব মাছ যোগ করতে পারেন। স্যামন মাছ দিয়ে এমনিতেও অনেক রকম সুস্বাদু পদ তৈরি করা যায়।
ডিসক্লেমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Check out below Health Tools-
Calculate Your Body Mass Index ( BMI )






















