Heart Cancer : হার্টে ক্যান্সার হয়? সত্যিটা শুনলে চমকে যাবেন ! জানালেন আমেরিকার হৃদরোগবিশেষজ্ঞ
হার্টের নানা বিধ রোগ নিয়ে প্রভূত আলোচনা হয়, কিন্তু হার্টে ক্যান্সার, শুনেছেন কি ? সত্যিই হার্টে ক্য়ান্সার হওয়ার ঝুঁকি কতটা?

ক্যান্সার মানে এখনও মারণ রোগ। আতঙ্ক। চিকিৎসার অগ্রগতি সত্ত্বেও এমন রোগের কাছে এখনও বারবার হার মানতে হয়। ক্যান্সারকে একদিক থেকে রোখার চেষ্টা হলেও, অন্যদিক থেকে হয়ত তেড়েফুঁড়ে ওঠে অসুখ। কারণ, ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলি অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হতে থাকে। এরফলেই ক্যান্সার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে শরীরে।
শরীরের যে কোনও জায়গাতেই ক্যান্সার হতে পারে । শরীরের প্রতিটি টিস্যুই কোটি কোটি কোষ দিয়ে তৈরি । সেখানে একবার ক্যান্সার হলে,কোষ বিভাজনের সঙ্গে সঙ্গে তা ছড়িয়ে পড়তে চায়। কিন্তু শরীরের কিছু অংশে ক্যান্সার সেভাবে ছড়ায় না। যেমন হৃদপিণ্ড। হার্টের নানা বিধ রোগ নিয়ে প্রভূত আলোচনা হয়, কিন্তু হার্টে ক্যান্সার, শুনেছেন কি ? সত্যিই হার্টে ক্য়ান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশ কম। গবেষণায় দেখা গিয়েছে প্রতি ১০,০০০ জনের মধ্যে ৩ জনের হৃদপিণ্ডের ক্যান্সার হয়। তুলনামূলকভাবে, প্রতি ২০ জন মহিলার মধ্যে ১ জনের স্তন ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে । কেন এমন হয়? সম্প্রতি 'লাইভ সায়েন্স'-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে।
মানবশরীরে প্রতি মুহূর্তেই কোষ বিভাজন চলতে থাকে। পুরনো কোষ বা ক্ষতিগ্রস্ত কোষের জায়গায় নতুন কোষের জন্ম হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে কোষ বিভাজন বলা হয় । শরীরের সব কোষ একইরকম দ্রুততায় বিভাজিত হয় না। যেমন মায়ের শরীরে যখন ভ্রূণ বেড়ে ওঠে , তখন ভ্রূণের কোষগুলি হু হু করে বিভাজিত হয়। ত্বক, নখ এবং চুল কোষগুলিও খুব তাড়াতাড়ি বিভাজিত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত কোষের জায়গায় আসে নতুন কোষ। তেমন হাড়ের কোষের বিভাজনের হারও বেশি। কিন্তু হৃৎপিণ্ডের ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা। মায়ের শরীরে যখন সন্তানের ভ্রূণ আসে, তখন প্রথম হৃদপিণ্ডই তৈরি হয়। সেই ধুকপুকানিই মায়ের শরীরে সন্তানের অস্তিত্বের জানান দেয়। আর এই ধুকপুকানি চলতে থাকে জীবনের অন্তিম ক্ষণ পর্যন্ত। অথচ প্রাপ্তবয়স্কদের হৃদপিণ্ডের কোষগুলি জন্মের পরে খুব কম বারই বিভক্ত হয়। কম বয়সে যদিও বা হার্টের কোষ বিভাজন হয়, বছর ২০ পেরিয়ে গেলে কোষ বিভাজন অত্যন্ত হ্রাস পায় । দেখা যায়, একজন মানুষ হৃদপিণ্ডের যেসব কোষ নিয়ে জন্ম নেয়, তার অর্ধেক তার শরীরে সারা জীবন থেকে যায় আর নিরন্তর কাজ করে চলে। ঠিক সেই জন্যই হার্টে ক্যান্সার হওয়ার হার কম। তাছাড়াও হার্ট বুকের মধ্যে এমন এক অবস্থানে থাকে যে, হৃদপিণ্ড ক্যান্সার সৃষ্টিকারী হেতুগুলির সাক্ষাতে আসেই কম। তাছাড়া হৃদপিণ্ডের ক্যান্সার সাধারণত শরীরের অন্য অংশ থেকে আসে। এই প্রক্রিয়াটিকে মেটাস্ট্যাসিস বলা হয় । যদিও এটি এখনও বিরল। তাই হার্টের ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা কম। 'লাইভ সায়েন্স'-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই মত ব্যক্ত করেছেন জুলি ফিলিপ্পি নামে (কার্ডিওথোরাসিক সার্জারি এবং বায়োইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক)
Check out below Health Tools-
Calculate Your Body Mass Index ( BMI )






















