এক্সপ্লোর
ত্রাণ বিলিতে দুর্নীতি, বিজেপি সাংসদদের আটকানোর অভিযোগ, ধামাচাপা দেওয়া যাবে না, ট্যুইটারে আক্রমণ রাজ্যপালের
করোনা আবহেও রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত মিটল না।

কলকাতা: করোনা আবহেও রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত মিটল না। দরিদ্রদের মধ্যে রেশন বিলি ও গণবণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা। সেই অভিযোগের উল্লেখ করে এবং অনিয়মের কারণ জানতে চেয়ে শনিবারই রাজ্যকে চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। পরে নবান্ন থেকে সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। রবিবার ট্যুইট করে রাজ্য সরকারকে ফের বিঁধলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। রাজ্যে ত্রাণ বিলিতে বিজেপি সাংসদদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে ট্যুইট করেছিলেন রাজ্যপাল। তাঁর অভিযোগ ছিল, পুলিশ-প্রশাসন সাংসদদের কাজে বাধা দিচ্ছে। তবে রাজ্যও পিছিয়ে আসার কোনও ইঙ্গিত দেয়নি। বরং রাজ্যপালের অভিযোগের জবাবে রাজভবনকে স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জেলাশাসকরা, পুলিশ প্রশাসন বিধি মেনে আইন মোতাবেক কাজ করছে। এরপরই আজ রাজ্যপালের ট্যুইট, ‘কোথায় চলেছি! সাংসদদের কাজে বাধা দেওয়ার ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রসচিবের কী প্রতিক্রিয়া। তাতে কোনও সারবস্তু নেই। যখন কেউ কেউ হাজার লোকের খাবার ব্যবস্থা করছেন, তখন অন্যরা বাইরে বেরোচ্ছেন না। বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ধামাচাপা দেওয়া যাবে না।‘ আর একটি ট্যুইটে রাজ্যপাল জানান, এই বিভেদকামী মনোভাব গ্রহণযোগ্য নয়। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সংশোধনের আর্জি জানাব। সাংসদ সুভাষ সরকার, জন বার্লা, অর্জুন সিংহ এবং রাজু বিস্তা অভিযোগ করেছেন যে, তাঁদের গতিবিধিতে প্রশাসন বাধা দিচ্ছে। এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সরিয়ে রাখা যাবে না। রাজ্যপালের নতুন অভিযোগের পর নবান্ন কী জবাব দেয়, দেখার অপেক্ষায় শাসক ও বিরোধী শিবিরের সকলেই।
Before You Go
Gyanesh Kumar Row | "Priyanka Gandhi Vadra-এর যা হয়েছে, তা ঠিক হয়নি...", বললেন Mamata Banerjee





















