Jyoti Malhotra: ফোনে ২০২৩-র গণপতি উৎসবের অজস্র ছবি-ভিডিও ! 'পাক চর' সন্দেহে ধৃত জ্যোতির মুম্বই সফর স্ক্যানারে, এগুলি কাদের কাছে পৌঁছেছে ?
Jyoti Malhotra's Mumbai Visit Mystery : প্রতিবারই বাণিজ্য নগরীর বিভিন্ন এলাকার ছবি এবং ভিডিও তোলে জ্যোতি, এই সব ভিডিও-ছবি কাদের কাছে পৌঁছেছে ?

নয়াদিল্লি: পাক চর সন্দেহে ধৃত জ্যোতি মালহোত্রার মুম্বই সফর স্ক্যানারে। ২০২৩ থেকে চার-চারবার মুম্বই গিয়েছিল ধৃত ইউটিউবার । সূত্রের খবর, ২০২৪-এ ৩ বার এবং ২০২৩ সালে একবার মুম্বই গিয়েছিল জ্যোতি। প্রতিবারই বাণিজ্য নগরীর বিভিন্ন এলাকার ছবি এবং ভিডিও তোলে জ্যোতি। বাসে-ট্রেনে কোনদিক থেকে মুম্বই পৌঁছনো যায়, সে তথ্যও আছে জ্যোতির ব্লগে।
২০২৩ সালে গণপতি উৎসবের সময় মানুষের তুমুল ভিড়ের ছবি দেখা গিয়েছে জ্যোতির ফোনে। পুরো এলাকার একটি ভিডিও রেকর্ড করেছিল হরিয়ানার ট্রাভেল ভ্লগার। তদন্তে জানা গেছে যে জ্যোতি তার ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে অনেক ভিডিও-ছবি মুছে ফেলেছিলেন। একটি বিশেষ কৌশল ব্যবহার করে সমস্ত ডিলিট করা ছবি-ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছে। এই সব ভিডিও-ছবি কাদের কাছে পৌঁছেছে, সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ ফুরনোয় আজ জ্যোতিকে তোলা হয় হরিয়ানার হিসার আদালতে। জ্যোতির আরও ৪ দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর।
পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় হরিয়ানার তরুণী জ্যোতি মালহোত্রকে। দিল্লিতে পাক দূতাবাসের এক আধিকারিকই জ্যোতির সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন আইএসআই এজেন্টদের। এরপর পাক গুপ্তচর সংস্থাকে একের পর এক সংবেদনশীল তথ্য পাচার করতে থাকে জ্যোতি। যার মধ্যে রয়েছে সেনাঘাঁটি সম্পর্কিত বহু তথ্য। ইউটিউবার জ্যোতির অ্যাকাউন্ট জুড়ে এখনও জ্বলজ্বল করছে পাকিস্তানের নানান ভিডিও। কেউ দেশের জন্য প্রাণ দিয়ে দিচ্ছেন। আর কারও বিরুদ্ধে নিজের মাতৃভূমির সঙ্গেই উঠছে প্রতারণার অভিযোগ। ইনিই ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্র।পাক গুপ্তচর সন্দেহে হরিয়ানার এই বাসিন্দাকে গ্রেফতার করেছে হরিয়ানা পুলিশ। ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের আবহে যা নিয়ে এখন তোলপাড় দেশ। জ্যোতির ইউটিউব অ্যাকাউন্টে এখনও জ্বলজ্বল করছে পাকিস্তানের নানা জায়গার ভিডিও। পহেলগাঁও হামলার আগেই পাকিস্তানে গেছিলেন তিনি।
অভিযোগ এই ভারতীয় তরুণী, অপারেশন সিঁদুরের সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, এমনকী ভারতের সেনাঘাঁটি সংক্রান্ত অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ISI-কে দিয়েছিলেন।এখানেই শেষ নয়, পহেলগাঁওকাণ্ডের পর ভারতীয় সেনার প্রস্তুতি সংক্রান্ত তথ্যও পাকিস্তানের হাতে পৌঁছে দিয়েছিলেন বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে জ্যোতির বিরুদ্ধে।হরিয়ানা হিসার ডেপুটি সুপারিনটেন্ডেন্ট বলেন,আমরা নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে হিসারের বাসিন্দা জ্যোতিকে অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট ও বিএনএস এর ১৫২ নম্বর ধারা অনুযায়ী গ্রেফতার করেছি। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া ল্যাপটপ ও মোবাইলে সন্দেহজনক তথ্য পাওয়া গেছে। জ্যোতি লাগাতার পাকিস্তানের নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগে ছিল। কিন্তু হরিয়ানার বাসিন্দা জ্যোতি মালহোত্র কীভাবে হয়ে উঠলেন পাক 'গুপ্তচর'? এর নেপথ্যে উঠে আসছে দিল্লিতে নিযুক্ত পাকিস্তান দূতাবাসের এক আধিকারিকের নাম। যাঁর নাম এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশ।






















