Ayatollah Ali Khamenei Funeral: পবিত্র শহরে সমাধিস্থ করা হবে আয়াতোল্লা খামেনেইকে, কবে, কখন, গোপন রাখছে ইরান
Ayatollah Ali Khamenei Burial: দীর্ঘ ৩৬ বছর ইরানকে নেতৃত্ব দিয়েছেন খামেনেই।

নয়াদিল্লি: আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের হামলায় মৃত্যু মিছিল দেশ জুড়ে। চেনা জায়গা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সেই আবহেই ইরানে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল। দেশের অন্যতম পবিত্র শহর মাশাদে সমাধিস্থ করা হবে খামেনেইকে। মাশাদেই জন্ম খামেনেইয়ের। তাঁর বাবাও সেখানেই সমাধিস্থ রয়েছেন। (Ayatollah Ali Khamenei Burial)
দীর্ঘ ৩৬ বছর ইরানকে নেতৃত্ব দিয়েছেন খামেনেই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের হামলায় মৃত্যু হয় তাঁর। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সর্বপ্রথম খামেনেইকে হত্য়া করা হয়েছে বলে ঘোষণা করেন। এর পর সেই খবরে সিলমোহর দেয় ইরান সরকার। এবার তাঁকে সমাধিস্থ করার প্রস্তুতি শুরু হল। (Ayatollah Ali Khamenei Funeral)
ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, খামেনেইকে সমাধিস্থ করার আগে রাজধানী তেহরানে বিরাট বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। তবে ঠিক কবে সমাধিস্থ করা হবে খামেনেইকে, নির্দিষ্ট দিন ক্ষণ প্রকাশ করেনি তারা।
ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশাদ। দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মচর্চা কেন্দ্রও। সেখানে ইমাম রেজার মাজার রয়েছে, যা শিয়া মুসলিমদের কাছে পবিত্রতম জায়গা। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ সেখানে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করেন। সেখানে সমাধিস্থ রয়েছেন খামেনেইয়ের বাবাও।
ইরানের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি শাসক খামেনেই। ১৯৭৯ সালে যে ইসলামি বিপ্লব ঘটে ইরানে, তার পর দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শাসক নিযুক্ত হন তিনি। প্রশাসনিক কাজকর্ম থেকে ধর্ম সংক্রান্ত বিষয়, প্রতিরক্ষা থেকে অর্থনীতি এবং শিক্ষা, সব কিছু তাঁর অঙ্গুলিহেলনেই চলত। ইরানের বাইরে পশ্চিম এশিয়াতেও তাঁর প্রভাব ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁর মৃত্যুতেও সঙ্কট ঘনিয়ে এসেছে। এই মুহূর্তে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেখানে। পাশাপাশি, খামেনেইয়ের মৃত্যুতে অশান্তিও ছড়়িয়েছে পাকিস্তান-সহ বিভিন্ন দেশে। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল যেভাবে হামলা চালিয়েছে ইরানে, তা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে নিন্দা করেছে চিন এবং রাশিয়াও। যদিও আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের দাবি, ইরান আঘাত হানার আগে, সতর্কতামূলক ভাবে আগাম সামরিক পদক্ষেপ করে তারা।
পশ্চিমি শক্তি এবং পশ্চিমি সংস্কৃতির ঘোর বিরোধী ছিলেন খামেনেই। হাজার চোখরাঙানির সামনেও মাথা নোয়াতে নারাজ ছিলেন। পরমাণু চুক্তি নিয়ে নতুন করে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসলেও, ইরানের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণে রাজি হননি তিনি। এর পরই একযোগে হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইরান। মারা যান খামেনেই। সেই থেকে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আগুন জ্বলছে। আর যুদ্ধ চলাকালীনই খামেনেইয়ের মেজো থেলে মোজতবা খামেনেই দেশের পরবর্তী শাসক নির্বাচিত হয়েছেন।
























