Haroa: তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত ২ বিজেপি কর্মী, হাড়োয়ায় ভাঙচুর দোকানে, এলাকায় উত্তেজনা
North 24 Pargana News: দু'জনকে ভর্তি করা হয়েছে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনাস্থলে হাড়োয়া থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা: হাড়োয়ায় বিজেপি করার অপরাধে তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত ২ জন। দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। এই নিয়ে এলাকায় প্রবল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। যা সামাল দিতে ঘটনাস্থলে গেল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে হাড়োয়া থানার অন্তর্গত হাড়োয়া পঞ্চায়েতের খোর্দা চাঁদপুর গ্রামের ১৯৫ নম্বর বুথে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৫ নম্বর বুথের বিজেপি সভাপতি আলাউদ্দিন মোল্লার দোকানে হামলা করে লুটপাট চালায়। তাঁর দুই ছেলেকে এলোপাথাড়ি মারধর করে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে দেয় তৃণমূল আশ্রীত দুষ্কৃতীরা। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য আনা হয় হাড়োয়া গ্রামীন হাসপাতালে। দু'জনকে ভর্তি করা হয়েছে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনাস্থলে হাড়োয়া থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযুক্ত তৃণমূল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে হাড়োয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের। অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
হাড়োয়ায় তৃণমূল নেতার বাগানবাড়িতে ত্রাণসামগ্রী মিলেছিল
গত মাসেই এখান থেকে একটি খবর প্রকাশ্যে এসেছিল যে হাড়োয়ার তৃণমূল নেতার বাগানবাড়িতে মিলেছিল প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী। তৃণমূল নেতা চন্দন দাস ও মণিরুল মণ্ডলের বাগানবাড়িতে হানা দিয়েছিলেন স্থানীয় মহিলারা। বাগানবাড়িতে অসামাজিক কাজকর্ম চলত বলে অভিযোগ জানিয়েছিলেন এলাকার বাসিন্দারাই। হাতুড়ি দিয়ে বাগানবাড়ির গেট ভেঙে চলে বিক্ষোভ। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেছিলেন, 'পাড়ার মহিলারা অত্যাচারিত হয়েছিলেন। তাঁরা সবকিছু থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সাধারণ মানুষ কোনও সুযোগ-সুবিধা পাননি। প্রকৃত গরিব মানুষের ত্রাণ-সামগ্রী এই বাড়িতে মজুত ছিল। কিন্তু, আজ আমরা ঘর ভেঙে দেখি সামান্য ত্রিপল ছাড়া কিছু নেই। রাতারাতি সেই ত্রাণের মাল পার হয়ে গেছে। এই বাড়িতে যে অবৈধ কাজকর্ম চলত তার প্রমাণ আমরা রাতের অন্ধকারে বহুবার পেয়েছি। পাড়ার মানুষ আমাদের কাছে রিপোর্ট করেছিলেন। কিন্তু, সেই রিপোর্ট অনুযায়ী আমরা তখন কাজ করতে পারিনি। কারণ, সরকার তাঁদের ক্ষমতায় ছিল। আজ আমরা এখানে এসেছি মানুষ যাতে সুষ্ঠু পরিবেশে বাস করতে পারেন।'
এমন ছবি আরও এক তৃণমূল বিধায়কের অফিস থেকেও দেখা গিয়েছিল। সেখানে গিয়ে দেখা গিয়েছিল যে ত্রাণ সামগ্রী সব ডাঁই করে রাখা। সেখানে ছিল সরকারি ত্রিপল থেকে শাড়ি ও বাচ্চাদের জামাকাপড়। যেগুলো মূলত প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিধ্বস্ত মানুষের পাওয়ার কথা ছিল, তাই-ই মিলেছে, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের অফিসে। এই ছবি, রাজারহাট গোপালপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সির অফিসের। বাগুইআটির ৪৪ নম্বর বাসস্ট্যান্ড এলাকার এই অফিসে বিধায়ক থাকাকালীন কাজ চালাতেন অদিতি মুন্সি। বৃহস্পতিবার, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের এই ঠিকানাতেই সদলবলে অভিযান চালান সদ্য নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। উদ্ধার হয় ত্রিপল, শাড়ি থেকে শুরু করে প্রচুর ত্রাণের সামগ্রী।























