Bengaluru Teacher: ছাত্রীর বাবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, ছবি ফাঁসের ভয় দেখিয়ে ২০ লক্ষ টাকা আদায়ের চেষ্টা; আটক স্কুলশিক্ষিকা
Bengaluru Teacher Arrested: ব্ল্যাকমেল করে সেই ছাত্রীর বাবার থেকে ৪ লক্ষ টাকা আদায় করেন তিনি। আরও ১৫ লক্ষ টাকা আদায়ের চেষ্টা করেন শ্রীদেবী রুদাগী নামের সেই স্কুলশিক্ষিকা।

বেঙ্গালুরু: বেঙ্গালুরুর এক ২৫ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি তাঁর স্কুলের এক ছাত্রীর বাবার (Bengaluru Teacher Arrested) সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন এবং সেই ছাত্রীর বাবাকে ব্ল্যাকমেল করে ভয় দেখিয়ে তাঁর থেকে ২০ লক্ষ টাকা আদায় করার চেষ্টা করেছিলেন।
সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ এই স্কুলশিক্ষিকাকে গ্রেফতার করেছে। তাঁর নাম জানা গিয়েছে শ্রীদেবী রুদাগী এবং তাঁর সঙ্গে আরও ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের নাম জানা গিয়েছে গণেশ কালে (বয়স ৩৮) এবং সাগর (বয়স ২৮)। আর সেই ছাত্রীর বাবার নাম জানা গিয়েছে সতীশ (নাম পরিবর্তিত)। তাঁর থেকে গণেশ ও সাগর নাকি ৪ লক্ষ টাকা আদায়ও করে নিয়েছিলেন। আর তারপর থেকে তাঁকে নিয়মিত ব্ল্যাকমেল করতে থাকে ঘ্নিষ্ঠ ছবি ফাঁসের ভয় দেখিয়ে ২০ লক্ষ টাকা আদায়ের চেষ্টা করতে থাকে।
সংবাদসূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিশ জানিয়েছে এই সতীশ নামের ব্যক্তি পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং তিনি পশ্চিম বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা। তিনি সেখানে তাঁর স্ত্রী ও তিন কন্যাকে নিয়ে থাকতেন। সেই শহরের (Bengaluru Teacher Arrested) একটি বেসরকারি স্কুলে তাঁর ৫ বছরের মেয়েকে ২০২৩ সালে ভর্তি করিয়েছিলেন তিনি। এই মেয়ের ভর্তির সময়ে তিনি স্কুলে রুদাগী নামের সেই স্কুলশিক্ষিকার সঙ্গে দেখা করেন। তারপর থেকেই রুদাগীর সঙ্গে সংযোগ ছিল তাঁর। আলাদা আলাদা সিমকার্ডের নম্বরে আলাদা ফোনে মেসেজ ও ভিডিয়ো কলের মাধ্যমে কথাবার্তা চলত তাদের দুজনের।
আর এক সময়ে তাদের কথাবার্তা ঘনিষ্ঠ পর্যায়ে চলে যায়। তারপর ব্ল্যাকমেল করে সেই ছাত্রীর বাবার থেকে ৪ লক্ষ টাকা আদায় করেন তিনি। আরও ১৫ লক্ষ টাকা আদায়ের চেষ্টা করেন শ্রীদেবী রুদাগী (Bengaluru Teacher Arrested) নামের সেই মহিলা। সেই ব্যক্তি দিতে অসম্মত হলে ছদ্মবেশে রুদাগী তাঁর বাড়িতেও পৌঁছে যান এবং ৫০ হাজার টাকা ধার চেয়ে বসেন।
এই সময়ে ব্যবসায় টালমাটাল হওয়ায় মেয়ের স্কুল থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট নিয়ে গুজরাতে গিয়ে পরিবার নিয়ে থাকার পরিকল্পনা করেন সেই ব্যক্তি। আর ট্রান্সফার সার্টিফিকেট আনতে স্কুলে গিয়েই সতীশকে একটা ঘরে আটক করে ফেলা হয়, সেখানে সাগর ও গণেশ নামের দুই ব্যক্তিও ছিলেন। সাগর তাঁকে তাঁর ও রুদাগীর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিয়ো দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করেন যে ২০ লক্ষ টাকা না দিলে এই ছবি তাঁর পরিবারকে পাঠিয়ে দেবে সে। তারপরই পুলিশের দ্বারস্থ হন সতীশ নামের সেই ব্যক্তি। রুদাগী সহ আরও দুই ব্যক্তিকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে।






















