Bihar News: ধর্মীয় শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে পাথর, জখম অনেকে, গ্রেফতার ৮; অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল এই এলাকা !
Jamui News: ঘটনায় জখম জামুই নগর পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান নীতীশ শা-কে ইন্দিরা গান্ধী ইনস্টিটিউট মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এ গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে। আরও পাঁচ জন অল্পবিস্তর আঘাত পান।

জামুই : ধর্মীয় শোভাযাত্রার সময় পাথর নিক্ষেপ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল বিহারের জামুই জেলা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অশান্তির পর পরই এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা সাসপেন্ড করে দেয় প্রশাসন। রবিবারের ওই ঘটনায় বালুয়াডি গ্রামে জামুই নগর পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান নীতীশ শা-সহ অনেকে জখম হয়েছেন। অশান্তিতে জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার আট জনকে গ্রেফতার করা হয়।
জামুই পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টা নাগাদ ঝাঝা থানা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। একটি মন্দিরের শোভাযাত্রায় ফিরছিলেন ৩০ জন। শোভাযাত্রার সঙ্গে ছিলেন জনা ছয়েক পুলিশকর্মী। তা সত্ত্বেও পাথর নিক্ষেপ এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ঘটনায় জখম জামুই নগর পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান নীতীশ শা-কে ইন্দিরা গান্ধী ইনস্টিটিউট মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এ গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে। আরও পাঁচ জন অল্পবিস্তর আঘাত পান।
জামুইয়ের জেলাশাসক অভিলাষা শর্মা বলেন, "প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসাবে আমরা ৪৮ ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা সাসপেন্ড করেছি। বালুয়াডিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে রয়েছেন সিনিয়র পুলিশ অফিসাররা।"
সংবাদ সংস্থা PTI-কে জেলাশাসক বলেন, "গতকাল ঘটনাটি ঘটে। ঝাঝায় ধর্মীয় শোভাযাত্রা চলাকালীন দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উভয় সম্প্রদায়ের মানুষজনই একে অপরকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। যার জেরে তিন জন জখম হন। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জখমদের স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যেখানে তাঁদের পরিস্থিতি বিপন্মুক্ত বলে জানানো হয়েছে। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি একেবারে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার পর এক পুলিশকর্মীকে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছে। একটি কেস করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের গ্রেফতার করা হবে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এখনও পর্যন্ত নয় জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইন্টারনেটা পরিষেবা সাসপেন্ড করা হয়েছে।"
ঘটনায় ২টি এফআইআর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জামুইয়ের পুলিশ সুপার মদন কুমার আনন্দ। একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে। তাতে ৪১ জনের নাম রয়েছে। তার মধ্যে ইতিমধ্য়েই আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার বলেন, "আমরা দ্বিতীয় আর একটি এফআইআর রুজু করেছি। যাতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অশান্তি, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতির মতো অভিযোগ করা হয়েছে।"






















