Primary Education: ‘Allovn’, ‘Aivene’, ‘Nigtin’, ‘Nintin’, ইংরেজিতে বানান করে 11, 19 লিখতে গিয়ে হিমশিম সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা, ভিডিও ভাইরাল
Chhattisgarh Government School Teacher: বিজেপি শাসিত ছত্তীসগঢ়ের বলরামপুর জেলার মাড়ওয়া গ্রাম পঞ্চয়েতের অন্তর্গত একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে।

রায়পুর: সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক। ভাল বেতন, ছুটিছাঁটাও বিস্তর। কিন্তু পড়ুয়াদের আদৌ পড়াতে পারেন কি? ছত্তীসগঢ়ের সাধারণ মানুষ এখন এই প্রশ্নই তুলছেন। কারণ শ্রেণিকক্ষ থেকে একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে ইংরেজিতে Eleven বানানও লিখতে গিয়ে হিমশিম খেতে দেখা গিয়েছে এক শিক্ষককে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে ভিডিওটি। (Primary Education)
বিজেপি শাসিত ছত্তীসগঢ়ের বলরামপুর জেলার মাড়ওয়া গ্রাম পঞ্চয়েতের অন্তর্গত একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। হাতে চক-ডাস্টার নিয়ে ঘুরলেও, ব্ল্যাকবোর্ডে ইংরেজিতে সংখ্যার বানান লিখতে গিয়ে হিমশিম খেতে দেখা যায় এক শিক্ষককে। (Chhattisgarh Government School Teacher)
ইংরেজিতে Eleven লিখতে বললে ওই শিক্ষক একবার লেখেন, ‘Allovn’, আর একবার লেখেন ‘Aivene’. আর এক শিক্ষককে Nineteen লিখতে বলা হলে, তিনিও ঘেমেনেয়ে একসা হন। একবার লেখেন, ‘Nigtin’, একবার ‘Nintin’, আর একবার লেখেন ‘Ninithin’. স্কুলের আর দুই শিক্ষক, এমনকি প্রধান শিক্ষকও সঠিক বানান লিখতে পারেননি। কিন্তু তা স্বীকার করার পরিবর্তে নিজেদের লেখা বানানই ঠিক বলে দাবি করেন তাঁরা।
Chattisgarh Govt School teacher can't even spell ELEVEN.
— Dr Ranjan (@DocRGM) July 30, 2025
BJP and Congress have ensured that the Indian masses remain illiterate so that they can manipulate them on trivial issues. pic.twitter.com/KepJHgukOr
ওই বিদ্যালয়ে পাঠরত শিশুদের কাছে দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম জানতে হলে, তারা উত্তর দিতে পারেনি। শিশুরা না-ই জানতে পারে। কিন্তু শিক্ষকরাও প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর নাম বলতে পারেননি। আর তাতেই সরকারি বিদ্যালয়ের পঠনপাঠনের ব্যবস্থা, শিক্ষকদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ছত্তীসগঢ়ের যে বলরামপুরে এই ঘটনা ঘটেছে, সেটি কোনও প্রত্যন্ত গ্রাম নয়। খাতায়কলমে সেটি আসলে একটি উন্নত জেলা, যেখানকার স্কুলে নিয়মিত শিক্ষক নিয়োগ হয়, শিক্ষাখাতে বরাদ্দও রয়েছে যথেষ্ট। বিষয়টি সামনে আসার পর ওই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে, জেলার শিক্ষা আধিকারিক বিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন বলে খবর। সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের এমন অবস্থা দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এক ব্যক্তি লেখেন, 'দেশ বরবাদ করার সবচেয়ে উত্তম উপায়...শিক্ষা ব্যবস্থাকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দাও'। আর একজন লেখেন, 'দেশের ভবিষ্যৎ নিয়েই চিন্তা হচ্ছে। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা কী শিখছে'? ওই শিক্ষকদের মধ্যে একজন পাঁচ বছর ধরে স্কুলটিতে শিক্ষকতা করছেন বলে জানা গিয়েছে।






















