Cockroach Janta Party : আজ দিল্লির যন্তর মন্তরে 'ককরোচ' পার্টির ক্যাপ্টেন দীপকে! বিরাট জমায়েত-সম্ভাবনায় কড়া নিরাপত্তা
গত ১৬ মে সিজেপি আত্মপ্রকাশ করে। এটিকে একটি অনলাইন স্যাটায়ার মুভমেন্ট হিসেবেই দেখান দীপকে। নেটমাধ্যমে বিরাট জনপ্রিয়তা পেয়েছে সিজেপি।

দেশে ফিরেছেন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার পথে নামছে ককরোচ জনতা পার্টির অনুগামীরা। তার আগেই দিল্লি পৌঁছেছেন ‘Cockroach Janta Party (CJP)’-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। রাজধানীতে আসার পরই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একাধিক পোস্ট করেন তিনি। এসেই অভিজিৎ লেখেন, যন্তর মন্তরে দেখা হবে ! সেই সঙ্গে লেখেন, ”বই আর আমাদের তিরঙ্গা আনতে ভুলবেন না।” তিনি আরও লেখেন, “ভালোবাসা এবং শান্তির মাধ্যমে আমাদের এই আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।”
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত দেশের যুব সম্প্রদায়ের একাংশকে ‘আরশোলা’ এবং ‘পরজীবী’ বলে কটাক্ষ করেন বলে অভিযোগ। আর সেই নিয়েই শুরু বিতর্ক। এরপর গত ১৬ মে সিজেপি আত্মপ্রকাশ করে। এটিকে একটি অনলাইন স্যাটায়ার মুভমেন্ট হিসেবেই দেখান দীপকে। নেটমাধ্যমে বিরাট জনপ্রিয়তা পেয়েছে সিজেপি।
মূলত নিট পরীক্ষা সংক্রান্ত একাধিক গাফিলতির অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতেই এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন আগেই অভিজিৎ দীপকে ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি ৬ জুন বোস্টন থেকে ভারতে ফিরবেন এবং দিল্লিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করবেন। এই আন্দোলনে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও পরিবেশ আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুকও। তিনি স্পষ্ট জানান, ৫ জুনের মধ্যে যদি ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করেন, তাহলে তিনিও আন্দোলনে যোগ দেবেন।
এদিকে দিল্লি পুলিশও ‘Cockroach Janta Party’-কে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জন্য সম্মতি দিয়েছে, সংবাদ সংস্থা IANS সূত্রে খবর। সম্ভাব্য ভিড় ও রাজনৈতিক উত্তেজনার কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই নিউ দিল্লি এলাকায় ১,০০০-র বেশি পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত বাহিনীও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, CJP-র ডিজিটাল ইউনিটের মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা দাবি করেছেন, “ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি স্মরণীয় দিন হতে চলেছে।” সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই এই আন্দোলন নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্র-যুব সমাজের একাংশের মধ্যে এই প্রতিবাদ ঘিরে আগ্রহ বাড়ছে বলে দাবি সংগঠনের। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক এই ধরনের আন্দোলন বাস্তবে কতটা জনসমর্থন পাবে, সেটাই এখন দেখার। শনিবারের জমায়েত সেই উত্তর অনেকটাই স্পষ্ট করে দিতে পারে।























