Delhi News: ক্রিকেট খেলা নিয়ে ঝামেলা, ভেঙে দেওয়া হল ঘাড় ! মৃত্যু ১৫ বছরের কিশোরের
Delhi News: হাতাহাতি চলাকালীনই ১৫ বছরের ওই কিশোরের ঘাড়ে এবং মাথায় চোট লাগে। অজ্ঞান হয়ে যায় কিশোর। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সেখানে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

Delhi News: ক্রিকেট খেলা নিয়ে বচসা। আর তার জেরেই প্রাণ হারাতে হল ১৫ বছরের এক কিশোরকে। পশ্চিম দিল্লির তিলক নগরে ঘটেছে এই মর্মান্তিক ঘটনা। পাড়ার মধ্যে ক্রিকেট খেলা যা মূলত 'গলি ক্রিকেট' নামে পরিচিত, ভারতের বিভিন্ন শহরের পরিচিত ছবি। তেমনই একটি ক্রিকেট ম্যাচ চলছিল পশ্চিম দিল্লির তিলক নগরে। খেলাকে কেন্দ্র করেই তিন নাবালকের মধ্যে ঝামেলা-ঝগড়া শুরু হয়। কিন্তু তার পরিণতি যে এমন মর্মান্তিক হতে পারে তা দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করেননি কেউ। পুলিশ সূত্রে খবর, ১৫ বছরের যে কিশোরের মৃত্যু হয়েছে তার ঘাড় ভেঙে গিয়েছে। স্থানীয় একটি পার্কে সোমবার সন্ধ্যায় চলছিল ক্রিকেট খেলা। খেলার মাঝেই কথাকাটি শুরু হয় ওই ১৫ বছরের কিশোর এবং ১২ বছরের আরেক বালকের মধ্যে।
তবে নিমেষেই তর্ক গড়ায় হাতাহাতির দিকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ১২ বছরের ওই কিশোর তার বাড়ি গিয়ে দুই তুতো ভাইকে গোটা ব্যাপারটা জানায়। এই দু'জনের মধ্যে একজনের বয়স ১৭ বছর এবং অন্যজনের বয়স ১৩ বছর বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভাইয়ের থেকে সবটা জানার পর তিনজন মিলে ১৫ বছরের ওই কিশোরকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এমনটাই জানা গিয়েছে পুলিশ মারফত। কিছুক্ষণ পর তাকে খুঁজেও পায় ওই তিন ভাই। এবার শুরু হয় হাতাহাতি। এই হাতাহাতি চলাকালীনই ১৫ বছরের ওই কিশোরের ঘাড়ে এবং মাথায় চোট লাগে। অজ্ঞান হয়ে যায় কিশোর। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে দীন দয়াল উপাধ্যায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সেখানে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
এই ঘটনায় তিলক নগর থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত তিন নাবালককেই গ্রেফতার করা হয় এরপর। মৃত কিশোরের মায়ের দাবি, খেলা নিয়ে বাচ্চাদের মধ্যে যে ধরনের ঝগড়া, ঝামেলা, মারপিট, কথাকাটি, হাতাহাতি হয়, - সেদিন এই সবকিছুর থেকে অনেক নৃশংস কিছুই ঘটেছিল তাঁর ছেলের সঙ্গে। মৃত কিশোরের মায়ের আরও অভিযোগ, থানায় যাওয়ার পর তাঁদের কথা শোনাই হয়নি প্রথমে। উল্টে তাঁদেরই মারধর করে পুলিশ এবং তাঁদের কয়েকজন আত্মীয়কে আটক করে। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে এই তথ্য জানা গিয়েছে। আর কোনও উপায় না দেখে মৃতের পরিবারের সদস্যরা থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান। শেষ পর্যন্ত দায়ের হয় এফআইআর এবং গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের।






















