Odisha SIR : ওড়িশার খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, কত নাম বাদ পড়ল ?
Draft Electoral Rolls : ৩০ মে থেকে থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত এসআইআর-এ এনুমারেশনের পর এই মুহূর্তে ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে ৩.১৩ কোটি ভোটারের।

ওড়িশার খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। SIR-এ এনুমারেশন পর্ব শেষে ২০ লক্ষর বেশি ভোটারের নাম বাদ গেল ভোটার তালিকা থেকে। ২০ মে যখন ভোটার তালিকা ফ্রিজ করা হয়েছিল, তখন ওড়িশায় ভোটার ছিলেন ৩.৩৩ কোটি। এমনই জানিয়েছেন ওড়িশার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আর এস গোপালন। ৩০ মে থেকে থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত এসআইআর-এ এনুমারেশনের পর এই মুহূর্তে ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে ৩.১৩ কোটি ভোটারের। এরমধ্যে পুরুষ ১.৬০ কোটি ও মহিলা ১.৫৩ কোটি। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ২ হাজার ৭৭৫।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেছেন, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ২০ লক্ষ ভোটারের মধ্যে ৮ লক্ষ ৩২ হাজার জন মারা গেছেন, ১০ লক্ষ ৭ হাজার জন অন্যত্র চলে গেছেন বা প্রক্রিয়ার সময় অনুপস্থিত ছিলেন এবং ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ভোটারের নাম একাধিক স্থানে নিবন্ধিত পাওয়া গেছে।
তাছাড়া, তথ্য সংগ্রহের পর্যায়ে প্রায় ১৪ হাজার ভোটার বুথ-স্তরের কর্মকর্তাদের (বিএলও) কাছে তাঁদের তথ্য সংগ্রহের ফর্ম ফেরত দেননি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
"খসড়া ভোটার তালিকায় যাদের নাম নেই, সেই ভোটাররা বিএলও (BLO)-র মাধ্যমে অথবা 'ECINET' মোবাইল অ্যাপ কিংবা voters.eci.gov.in-এর মাধ্যমে তাঁদের দাবি বা আপত্তি জানাতে পারেন," সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান গোপালন।
তিনি জানান যে, ৪ অগাস্ট পর্যন্ত দাবি ও আপত্তি শোনা হবে এবং ৬ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
সিইও বলেন, "খসড়া ভোটার তালিকায় কারও নাম না থাকলে, তাঁকে একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে এবং একটি ঘোষণাপত্র ও অন্যান্য নথিপত্রসহ তা নির্বাচনী কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।"
৫ জুলাই থেকে ৪ অগাস্ট পর্যন্ত দাবি ও আপত্তি গ্রহণ করা হবে এবং ১৪৭ জন ইআরও ও ৯৯৪ জন সহকারী ইআরও ২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করবেন। গোপালন বলেন, "নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দাবি ও আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনে সময়ে সময়ে অতিরিক্ত কর্মকর্তাদের কাজে লাগানো হবে।"
খসড়া ভোটার তালিকার বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বিজেডি-র সহ-সভাপতি দেবী প্রসাদ মিশ্র বলেন, “তালিকা থেকে ২০ লক্ষ নয়, বরং ২৭ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তারা আরও ৭ লক্ষ ভোটারের নাম গোপন করে রেখেছে।” কংগ্রেস পরিষদীয় দলের নেতা রামচন্দ্র কদম অভিযোগ করেন যে, “ক্ষমতাসীন বিজেপির বিরোধী” ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি “ষড়যন্ত্র”।























