India-Pakistan Conflict: রাত হতেই শ্রীনগর বিমানবন্দরের আকাশে পাকিস্তানি ড্রোন, ব্ল্যাকআউটের পর গুলি করে মাটিতে নামাল সেনা
Pakistani Drones: যেসব জায়গায় ড্রোন দেখা গেছে সেই তালিকায় রয়েছে- শ্রীনগর, অবন্তীপোরা, নাগরোটা, জম্মু, ফিরোজপুর, পাঠানকোট, ফাজিলকা, লালগড় জাট্টা, জয়সলমের, বারমের, ভুজ, কুরবেত এবং লাখি নালা।

শ্রীনগর : শ্রীনগর বিমানবন্দর এবং দক্ষিণ কাশ্মীরের অবন্তীপোরা বিমান ঘাঁটি-সহ বেশ কয়েক জায়গায় পাকিস্তানি ড্রোন হামলা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। এমনই জানাচ্ছেন আধিকারিকরা। সংবাদ সংস্থা PTI সূত্রের খবর। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ভারতীয় সামরিক ঘাঁটিগুলিতে আঘাত হানার প্রচেষ্টা ভারত ব্যর্থ করার একদিন পর ফের এই হামলা হল। উত্তরের বারামুল্লা থেকে দক্ষিণের ভুজ পর্যন্ত ২৬টি জায়গায় আন্তর্জাতিক সীমানা ও নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ড্রোন দেখা গেছে। যেসব জায়গায় ড্রোন দেখা গেছে সেই তালিকায় রয়েছে- শ্রীনগর, অবন্তীপোরা, নাগরোটা, জম্মু, ফিরোজপুর, পাঠানকোট, ফাজিলকা, লালগড় জাট্টা, জয়সলমের, বারমের, ভুজ, কুরবেত এবং লাখি নালা।
আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রাত ৯টার দিকে শ্রীনগর বিমানবন্দরের উপর দিয়ে একটি ড্রোন উড়তে দেখা যায়। এই আক্রমণ নিষ্ক্রিয় করার জন্য ব্ল্যাকআউট করে দেওয়া হয়। এরপর সেনাবাহিনী ড্রোনটি গুলি করে মাটিতে নামিয়ে আনে। তবে বিস্ফোরণের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দক্ষিণ কাশ্মীরের অবন্তীপোরা বিমানঘাঁটির কাছে আরেকটি ড্রোনকে গুলি করে নামিয়ে আনা হয়। উত্তর কাশ্মীরের বারামুল্লা এবং কুপওয়াড়া জেলায় কিছু সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানের কাছে ড্রোন হামলা ব্যর্থ করা হয়েছে। তবে, একটি সশস্ত্র ড্রোন পাঞ্জাবের ফিরোজপুরে একটি বেসামরিক এলাকায় আঘাত করতে সক্ষম হয়। যার ফলে স্থানীয় একটি পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হয়েছে এবং এলাকাটি স্যানিটাইজ করা হয়েছে।
আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন, সন্ধের শুরুতে, জম্মু অঞ্চল এবং দক্ষিণ কাশ্মীরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং সাইরেন বাজতে থাকে। যার ফলে জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক অংশ অন্ধকারে ডুবে যায়। প্রতিরক্ষা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জম্মু, সাম্বা এবং প্রতিবেশী পাঞ্জাবের পাঠানকোট জেলায়ও ড্রোন দেখা গেছে এবং সেগুলির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। শ্রীনগরে, মসজিদের লাউডস্পিকার ব্যবহার করে স্থানীয়দের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাঁদের আলো বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উধমপুর এবং নাগরোটাতেও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল।
'অপারেশন সিঁদুরের' পর থেকে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর নাগাড়ে গোলাগুলি বর্ষণ করছে পাকিস্তান। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ভারতীয় সেনাও। এই আবহে ভবিষ্যতে ভারত আরও কীভাবে পাকিস্তানকে পাল্টা জবাব দেবে তা নিয়ে আলোচনার জন্য এদিন জরুরি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, সিডিএস জেনারেল অনিল চৌহান ও তিন বাহিনীর প্রধানরা।






















