India Pakistan Tension:ভারত-পাক সংঘর্ষ বিরতি, জঙ্গিদের খোঁজে দক্ষিণ কাশ্মীরে তল্লাশি
State Investigation Agency: রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার তদন্ত এবং জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক ভাঙার লক্ষ্যেই এই অভিযান চালাচ্ছে স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি।

সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, শ্রীনগর : সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি, দক্ষিণ কাশ্মীরে অভিযানে স্টেট ইনভেস্টিগেটিভ এজেন্সি। পহেলগাঁওকাণ্ডে ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কার বা জঙ্গিদের সঙ্গে স্থানীয়দের যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা জানতেই এই অভিযান।
জম্মু কাশ্মীর পুলিশের তরফে SIA তল্লাশি শুরু করেছে। মূলত দক্ষিণ কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে। জঙ্গিদের খোঁজে পুলওয়ামা, সোপিয়ান, অনন্তনাগ, কুলগামে তল্লাশি চলছে। যা পহেলগাঁওয়ের মধ্যে পড়ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, ২২ এপ্রিলের জঙ্গি হামলার ঘটনায় ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কার বা স্থানীয়দের একটা ভূমিকা রয়েছে। যোগসাজশ থাকলে তা কীভাবে এবং কতটা রয়েতে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জঙ্গিদের কারা সাহায্য করেছিল, তা এবার তদন্তকারীদের নজরে। এদিনও NIA-র একটি বিশেষ টিম তদন্তের জন্য পহেলগাঁওয়ে যাবে। পাশাপাশি, এদের কারও বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মূলত জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক ভাঙার লক্ষ্যেই এই অভিযান চালাচ্ছে স্টেট ইনভেস্টিগেটিভ এজেন্সি। ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ ও একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
এদিকে পাকিস্তানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বায়ুসেনা ঘাঁটিতে আঘাত হেনে ভারতীয় সেনাবাহিনী গোটা বিশ্বের কাছে তাদের দক্ষতা-দমেরও প্রমাণ দিয়েছে। শনিবার পর্যন্ত ভারতের সমর-বিক্রমে যখন তথৈবচ অবস্থা পাকিস্তানের তখন বিকেলে সংঘর্ষ বিরতির ঘোষণা করল ভারত ও পাকিস্তান কিন্তু তার আগের চারদিনে ভারতের তিন বাহিনী তাদের শৌর্যের যে পরিচয় দিয়েছে তা অতুলনীয়। মাত্র ২৫ মিনিটে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯ জায়গায় জঙ্গি ঘাঁটি ধুলিস্যাৎ থেকে শুরু করে, S400-এর মতো এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্য়মে পাকিস্তানের একটিও ড্রোন-মিসাইলকে লক্ষ্য়বস্তুতে আঘাত হানতে না দেওয়া, বিনা ক্ষয়ক্ষতিতে পাকিস্তানকে নাকানিচোবানি খাওয়ানো, ভারতীয় সেনাবাহিনী বুঝিয়ে দিয়েছে সন্ত্রাসবাদীরা যেখানেই লুকিয়ে থাক, তারা খুঁজে বের করতে সক্ষম। বায়ুসেনা বুঝিয়ে দিয়েছে পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম অত্য়ন্ত দুর্বল। নিয়ন্ত্রণরেখায় পাকিস্তানের লাগাতার গোলাবর্ষণের পাল্টা পাকিস্তানের সেনা চৌকি ধ্বংস করে দিয়েছে BSF. আবার পাকিস্তান যেখানে ভারতের নিরীহ নাগরিকদের টার্গেট করেছে, সেখানে ভারত কিন্তু প্রতিটা আঘাত হানার ক্ষেত্রেই লক্ষ্য় রেখেছে, সাধারণ মানুষের যেন কোনও ক্ষতি না হয়। অর্থাৎ ভারতীয় সেনাবাহিনী শত্রুকে কড়া বার্তা দিতেও প্রস্তুত, আবার মানবিকও। তবে ভারত সংঘর্ষ বিরতির ঘোষণা করলেও, সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত পাল্টাচ্ছে না বলেই সূত্রের খবর।






















