Crime News : ৪৬০ কোটির সম্পত্তি ! দেশের নামি শিল্পপতিকে '৭০ বারেরও বেশি' কোপাল নাতি
শুরু হয় কথা কাটাকাটি। তারপরেই মেজাজ হারিয়ে ফেলে দাদুকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে তেজা।

সম্পত্তি নিয়ে কথা কাটাকাটি। আর তার জেরে বিবাদ । উত্তেজনা এমন এক জায়গায় গড়ায়, দেশের অন্যতম হেভিওয়েট বিজনেসম্যানকে পরপর ৭০ বারেরও বেশি কোপাল তাঁর নাতি। একের পর এক ছুরিকাঘাতে বইল রক্তগঙ্গা।
ঘটনাটি হায়দরাবাদের। পুলিশ সূত্রে খবর, ভিসি জনার্দন রাও ৪৬০ কোটি টাকার ভেলজান গ্রুপ অফ কোম্পানিজের কর্ণধার, অন্যতম ডিরেক্টর। হাইড্রোলিক্স সরঞ্জাম, জাহাজ নির্মাণের যন্ত্রাংশ তৈরিতে বেশ নাম ডাক এই গ্রুপের। সেই গ্রুপেরই মালিকের মর্মান্তিক পরিণতি হল পৌত্রের হাতে ।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে প্রকাশ, ৮৬ বছর বয়সী শিল্পপতিকে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে কীর্তি তেজাকে। তিনি স্নাতকোত্তর পড়াশোনা শেষ করে ফিরেছেন আমেরিকা থেকে। বৃহস্পতিবার রাতে, তিনি এবং তার মা সরোজিনী দেবী হায়দরাবাদে দাদুর বাড়িতে যান। দুজনের মধ্যো কথোপকথন চলছিল। তখন তাঁর মা চা নিয়ে আসতে রান্নাঘরে যান। ঠিক তখনই কোম্পানির ডিরেক্টর কে হবেন, তা নিয়ে তর্ক শুরু হয়। শিল্পপতি রাও সম্প্রতি তাঁর বড় মেয়ের ছেলে শ্রীকৃষ্ণকে ভেলজান গ্রুপের পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত করেছেন। কীর্তি তেজা তাঁর দ্বিতীয় কন্যা সরোজিনীর ছেলে । তাঁকে কোম্পানির ৪ কোটি টাকার শেয়ার দিয়েছিলেন দাদু। পুলিশ সূত্রের খবর, কীর্তি তেজার নজর ছিল কোম্পানির চেয়ারের দিকে। তেজা তাঁর দাদুর বিরুদ্ধে অন্যায্য ভাগাভাগির অভিযোগ আনেন। দাদু ছোটবেলা থেকেই তাকে অবহেলা করেছেন বলে দাবি নাতির।
এই নিয়ে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। তারপরেই মেজাজ হারিয়ে ফেলে তেজা দাদুকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত বৃদ্ধ দাদুকে ৭০ বারেরও বেশি কোপ মারে। তবে পুলিশ কোপের সংখ্যার বিষয়ে নিশ্চিত কোনও তথ্য দেয়নি। গণ্ডগোলের সময় তেজার মা মধ্যস্ততা করতে ছুটে যান । তেজা তাকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করেন বলে জানা গিয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি কীর্তি তেজার মাও।
হত্যার পর, তেজা প্রত্যক্ষদর্শী ও নিরাপত্তারক্ষীকে হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আদালতেও হাজির করা হয় । বিচারক বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে কীর্তি তেজাকে। কয়েকটি প্রতিবেদনে দাবি, তেজা মাদকাসক্ত ছিলেন।
আরও পড়ুন :






















