Khameini Death: খামেনেইয়ের মৃত্যু, বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ, ঢোকার চেষ্টা করতেই কাঁদানের গ্যাসের ব্যবহার
Ayatollah Khomeini Death: দক্ষিণ ইরাকের বিভিন্ন প্রদেশেও খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর প্রতিবাদ-বিক্ষোভে শামিল হতে দেখা গিয়েছে অনেক মানুষকেই।

Khomeini Death: আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ শাসক আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এই ঘটনার পর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মার্কিন কনস্যুলেট, দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেছেন প্রচুর মানুষ। ইরাকের বাগদাদেও পড়েছে খামেনেইয়ের মৃত্যুর প্রভাব। বিক্ষোভকারীরা সুরক্ষিত গ্রিন জোনে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করেছিল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই সুরক্ষিত গ্রিন জোনেই রয়েছে আমেরিকান দূতাবাস। তবে নিরাপত্তারক্ষীরা কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন। সংবাদসংস্থা এএফপি- র প্রতিবেদন অনুসারে বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন যাঁরা, তাঁদের অনেকের হাতেই দেখা গিয়েছে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীর পতাকা। নিরাপত্তারক্ষীরা যখন কাঁদানের গ্যাসের সাহায্যে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করছিলেন, তখন নিরাপত্তাবাহিনীর উপরে বিক্ষোভকারীদের দিক থেকে পাথর ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, দক্ষিণ ইরাকের বিভিন্ন প্রদেশেও খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর প্রতিবাদ-বিক্ষোভে শামিল হতে দেখা গিয়েছে অনেক মানুষকেই।
গতকাল অর্থাৎ রবিবার খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পরই পাকিস্তানের করাচির আমেরিকান কনস্যুলেটে জোর করে ঢুকে পড়ে একদল লোক। তাণ্ডব চালায় তারা। কনস্যুলেটের বাইরে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তির ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পাথর ছুড়ছিল বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। এক জায়গায় জড়ো হয়ে গিয়েছিল বিক্ষোভকারীরা। তাদের সরাতেই এই ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। আরেকটি ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, একদল লোক গেট দিয়ে ঢুকে পড়েছে কনস্যুলেটের ভিতরে। জানলার কাচ ভাঙার চেষ্টা করতেও দেখা গিয়েছে তাদের। মূল বিল্ডিংয়ে ঢোকার জন্য চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছে একদল বিক্ষোভকারীকে। তাদের মধ্যে অনেকেরই মুখ ঢাকা রয়েছে কাপড়ে। কারও হাতে রয়েছে খামেনেইয়ের ছবি। কনস্যুলেটের একটা অংশে আগুন লাগানোরও চেষ্টা করা হয়েছে। শক্তপোক্ত লাঠি দিয়ে ভাঙা হয়েছে জানলার কাচ।
করাচির আমেরিকান কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন অনেকেই। ৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। করাচির সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আহতদের। সেখানেই রয়েছে মৃতদের দেহ। Edhi Foundation রেসকিউ সার্ভিসের মুখপাত্র মহম্মদ আমিন নামের এক ব্যক্তি সংবাদ সংস্থার এএফপি- কে এইসব তথ্য জানিয়েছেন। আহত এবং নিহতদের অনেকের শরীরের বুলেটের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।






















