Iran-US War: ইরান যুদ্ধে মিসাইল ফুরিয়ে আসছে আমেরিকার ! 'চারগুণ উৎপাদন বাড়াও', বললেন ট্রাম্প
Donald Trump : সম্প্রতি আমেরিকার অস্ত্র ভাণ্ডার নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান যুদ্ধের কারণে মিসাইল ফুরিয়ে আসছে আমেরিকার। '

Donald Trump : একযোগে দুই যুদ্ধ চালাতে গিয়ে হিমশিম অবস্থা হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)। ইউক্রেনে হাতিয়ার সরবরাহ আগেই চলছিল, এবার ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে (Iran-US War) ঢুকে বিপদ বাড়ল মার্কিন প্রেসিডেন্টের (US President)। সম্প্রতি আমেরিকার অস্ত্র ভাণ্ডার নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান যুদ্ধের কারণে মিসাইল ফুরিয়ে আসছে আমেরিকার। 'সর্বশক্তিধর' দেশের এই অবস্থা হতে পারে ?
কী অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে
সম্প্রতি মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছে, চারটি কোম্পানির সঙ্গে তিনটি প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে আমেরিকা। দ্রুত অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মূলত, মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের দিকে নজর দিচ্ছে ওয়াশিংটন। আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর বিএই সিস্টেমস (BAE Systems) ও লকহিড মার্টিনকে (Lockheed Martin) তাদের শক্তিশালী থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার 'সিকার' (Seeker) উৎপাদন চারগুণ করার নির্দেশ দিয়েছে। অন্যদিকে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশের উৎপাদন বাড়াবে হানিওয়েল অ্যারোস্পেস (Honeywell Aerospace)।
সামরিক অস্ত্র প্রস্তুতিতে বড় লাফ
লকহিড মার্টিন সম্প্রতি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যেখানে থাড ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী রকেটের বার্ষিক উৎপাদন ৯৬ থেকে বাড়িয়ে ৪০০-তে নিয়ে যাওয়া হবে। থাড সিস্টেমটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে তার যাত্রার শেষ পর্যায়ে (Terminal Phase) মাঝ আকাশেই ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। বর্তমানে মার্কিন সেনাবাহিনী ছাড়াও বিশ্বের বেশ কিছু দেশ এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। পেন্টাগনের এই পদক্ষেপকে অনেক বিশেষজ্ঞই 'যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি' হিসেবে দেখছেন।
মোদি-ট্রাম্প ফোনালাপ
পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনার আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এই আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তা ও তেলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই জলপথটি খোলা রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে একমত হয়েছেন দুই নেতা।
কী আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানে
ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সের্জিও গর সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম 'X'-এ এই ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী মোদি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। বিশ্বের সিংহভাগ তেল সরবরাহকারী এই সংকীর্ণ জলপথটি যাতে কোনোভাবেই অবরুদ্ধ না হয়, সে বিষয়ে উভয় পক্ষই জোর দিয়েছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কী বলেছেন মোদি
আমেরিকার পাশাপাশি এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেছেন, "প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছ থেকে একটি ফোন কল পেয়েছি। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ভারত যত দ্রুত সম্ভব উত্তেজনা প্রশমন ও শান্তির পক্ষে রয়েছে। হরমুজ প্রণালী যাতে উন্মুক্ত, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজলভ্য থাকে তা নিশ্চিত করা সমগ্র বিশ্বের জন্য অপরিহার্য। আমরা শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রচেষ্টায় একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়ে একমত হয়েছি।"






















