Iran War : 'ইরান ফোন করে চুক্তি করতে চাইছে! আমি বলেছি, বড্ড দেরি করে ফেললে!', বড় দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের
তেহরান কার্যত আমেরিকার কাছে একটা উপায় জানতে চাইছে, এমনটাই দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

ওয়াশিংটন: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আঁচ এবার একেবারে ভারতের গা ঘেঁষে। ভারত থেকে ফেরার সময়, ভারত মহাসাগরের বুকে ইরানের যুদ্ধজাহাজকে টর্পোডো মেরে ডুবিয়ে দিয়েছে আমেরিকার সাবমেরিন। আমেরিকা জানিয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম টর্পেডো মেরে, শত্রুপক্ষের জাহাজ ডোবাল তারা। ইরানও প্রত্যাঘাতের জন্য ফুঁসছে। এই পরিস্থিতিতে আরও এক বড় দাবি করে বসলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার তাঁর দাবি, বেকায়দায় পড়ে সমঝোতা করতে চাইছে ইরান। ফোন আসছে তাদের তরফে। বারবার বলছে, একটা চুক্তিতে আসুন। তেহরান কার্যত আমেরিকার কাছে একটা উপায় জানতে চাইছে, এমনটাই দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেন , ইরানের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েল যেভাবে চাপ তৈরি করেছে, তাতে তড়িঘড়ি একটি চুক্তি করার জন্য আবেদন জানাচ্ছে তেহরান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ করছে তারা। "ওরা ফোন করছে, বলছে 'আমরা কীভাবে চুক্তি করব?' আমি বলে দিয়েছি, তোমরা একটু দেরি করে ফেলেছ" হোয়াইট হাউসে ইন্টার মিয়ামি ফুটবল দলের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে দাবি করেন ট্রাম্প । তাঁর দাবি, ইরানের পরবর্তী নেতা আমেরিকাই তৈরি করবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনেইয়ের ছেলে আলি মোজতবা খামেনেইকে পছন্দ করছেন না, বুঝিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের নৌবহর এক্কেবারে শেষ ! আমেরিকা শেষ করে দিয়েছে ওদের ২৪ টা যুদ্ধ জাহাজকে। তেহরানের মিসাইল আর ড্রোনের ভাঁড়ারও ফুরিয়ে গিয়েছে। খতম করেছে মার্কিন সেনা। ট্রাম্প ইরানের কূটনীতিকদের উদ্দেশে বলেন, তারা যেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথা মেনে নতুন ইরান , উন্নত ইরান তৈরির কথা ভাবেন।
এদিকে যুদ্ধ নিয়ে সেনেটে নতুন করে অক্সিজেন পেয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেনেটের বেশির ভাগ সদস্যের রায় গিয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পক্ষেই। ফলে যুদ্ধ বন্ধ বা ট্রাম্পের ক্ষমতা হ্রাসের প্রস্তাব বাতিল হয়ে গিয়েছে। সেনেট সদস্য়ের মধ্যে ট্রাম্পের পক্ষে রায় দিয়েছেন ৫২ জন। বিরোধিতা করেন ৪৭ জন।
তবে, আমেরিকার প্রেসিডেন্টের এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য, যুদ্ধবিরতির কোনও আর্জি জানানো হয়নি, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার কোনও প্রশ্নই নেই।























