Ladakh Avalanche: পাহাড় ভেঙে নেমে আসল ভয়াবহ তুষারধস, বরফে নিচে চাপা পড়ে মৃত একাধিক, ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি!
ঘটনাটির পর ন্যাশনাল হাইওয়েটি সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ বরফ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে ব্যাপক উদ্ধার ও অপসারণ অভিযান শুরু করেছে।

নয়া দিল্লি: শুক্রবার শ্রীনগর-লেহ ন্যাশনাল হাইওয়েতে একটি বিশাল তুষার ধসে অন্তত ৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। এই তুষার ধসটি জোজিলা পাসের লাদাখ অংশে আঘাত হানে, যার ফলে বেশ কয়েকটি যাত্রীবাহী গাড়ি ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে।
ঘটনাটির পর ন্যাশনাল হাইওয়েটি সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ বরফ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে ব্যাপক উদ্ধার ও অপসারণ অভিযান শুরু করেছে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে, শুক্রবার বিকেলে জ়োজিলা পাসের জিরো পয়েন্ট এবং মিনিমার্গের মধ্যবর্তী অংশে তুষারধস আঘাত হানে। এতে বেশ কয়েকটি যানবাহন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকা পড়ে। ঘটনার খবর পেয়েই সেনা, আধাসেনা এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে বরফ ও পাথর সরিয়ে উদ্ধারের কাজ শুরু করে।
লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর, যিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন, তিনি বলেছেন, "জোজি লা-তে তুষারধসের দুর্ভাগ্যজনক খবর শুনেছি। আমি কারগিলের ডিসি ও এসএসপি-কে অবিলম্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে এবং ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান শুরু করার নির্দেশ দিয়েছি। দুর্যোগ ত্রাণ বাহিনী এবং বিআরও (বর্ডারস রোড অর্গানাইজেশন) সহ সমস্ত সরকারি সংস্থাকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।"
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি লিখেছেন, "জোজিলা গিরিপথে তুষারধসের কবলে পড়ে ৭ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু এবং ৫ জনের আহত হওয়ার খবরে আমি মর্মাহত। শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। আহতদের সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।"
বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও) ও পুলিশের দল ধ্বংসস্তূপ সরাতে এবং এখনও আটকে পড়া ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে।
বর্তমানে জোজিলা গিরিপথ জুড়ে একটি বড় সুড়ঙ্গ নির্মাণাধীন রয়েছে। এর নির্মাণকাজ শেষ হলে, এটি লাদাখ এবং ভারতের বাকি অংশের মধ্যে একটি নিরাপদ সংযোগ স্থাপন করবে। এই প্রকল্পে একটি দুই-লেনের সুড়ঙ্গ রয়েছে, যা ১৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ, ৯.৫ মিটার চওড়া এবং প্রায় ১২,০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। নির্মাণকাজ শেষ হলে, জোজিলা সুড়ঙ্গটি এশিয়ার দীর্ঘতম সুড়ঙ্গে পরিণত হবে।






















