Lucknow Coaching Center Fire: ছিল না Emergency Exit, জ্যাম হয়ে যায় দরজা! কোচিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ জনের মৃত্যুতে গাফিলতি প্রশ্ন,
লখনউয়ের আলিগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারালেন ১৫ জন। জরুরি নির্গমন পথের অভাব, আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক ব্যবহার ও নিরাপত্তা গাফিলতি নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

কলকাতা: উত্তরপ্রদেশের লখনউ-এর আলিগঞ্জ এলাকায় একটি বাণিজ্যিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের অধিকাংশই ছিলেন অ্যানিমেশন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ছাত্রছাত্রী। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর উঠে এসেছে একের পর এক প্রশ্ন— কীভাবে একটি আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক কার্যকলাপ চলছিল, কেন ছিল না জরুরি নির্গমন পথ এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না।
কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?
সোমবার দুপুরে আলিগঞ্জের উষা মেহতা মার্গের তিনতলা ভবনে আচমকাই আগুন লাগে। ভবনটিতে একটি অ্যানিমেশন ট্রেনিং সেন্টার, পোষ্য প্রাণীর দোকান এবং আরও কয়েকটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ছিল। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বহু ছাত্রছাত্রী ভিতরে আটকে পড়েন। প্রাণ বাঁচাতে কয়েকজন জানালা দিয়ে ঝাঁপ দেন।
উঠছে পাঁচটি বড় প্রশ্ন
১. জরুরি নির্গমন পথ ছিল না কেন?
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ভবনটিতে কোনও ইমার্জেন্সি এক্সিট ছিল না। ছাদে যাওয়ার পথও নাকি বন্ধ ছিল। ফলে ধোঁয়া ও আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই বের হওয়ার সুযোগ পাননি।
২. অগ্নি নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল?
তিনতলা হওয়ায় এই ভবনের জন্য ফায়ার এনওসি বাধ্যতামূলক ছিল না। তবে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভবনটিতে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা উচিত ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
৩. আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক কার্যকলাপ কীভাবে চলছিল?
সরকারি নথি অনুযায়ী, ভবনটি আবাসিক ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত ছিল। অথচ ২০১৪ সাল থেকেই সেখানে ব্যবসায়িক কার্যকলাপ চলছিল বলে অভিযোগ। এই পরিবর্তনের অনুমতি কে দিয়েছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
৪. অবৈধ নির্মাণ উপেক্ষা করা হয়েছিল?
২০১৬ সালে ভবনটির বিরুদ্ধে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়। প্রশ্ন উঠছে, এরপরও কীভাবে ভবনটি একইভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল?
৫. কোনও সরকারি পরিদর্শন হয়েছিল?
স্থানীয় প্রশাসন এবং নাগরিক কর্তৃপক্ষ আদৌ ভবনটির নিরাপত্তা পরীক্ষা করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং চার সরকারি আধিকারিককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
তদন্ত শুরু
ঘটনার পর ভবনটি সিল করে দিয়েছে প্রশাসন। ফরেনসিক দল এবং দমকল বিভাগ ঘটনাস্থল থেকে প্রমাণ সংগ্রহ করছে। মুখ্যমন্ত্রী Yogi Adityanath পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
Before You Go
Taratala News: তারাতলায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের দেখতে SSKM-এ স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত























