Contaminated Water : ফের সেই ইনদওর, এবার দূষিত জল পান করে অসুস্থ অন্তত ৯ !
Contaminated Drinking Water Effects : এর পাশাপাশি ইনদওর মেডিক্যাল কলেজের একটি দল এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদেরও ঘটনাস্থলে পাঠানো হচ্ছে।

ইনদওর : ফের মধ্যপ্রদেশ। ফের সেই ইনদওর। এবার দূষিত জল পান করে অন্তত ৯ জন অসুস্থ হয়ে পড়লেন। মধ্যপ্রদেশের ইনদওর জেলার মো তেহসিল এলাকার ঘটনা। পট্টি বাজা ও চন্দর মার্গ থেকে জলবাহিত রোগের খবর এসেছে বলে জানিয়েছেন জেলার আধিকারিকরা। খবর পেয়ে গভীর রাতে মো এলাকায় পৌঁছে যান ইনদওরের জেলাশাসক শিবম ভার্মা। হাসপাতালে যারা চিকিৎসাধীন তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। হাসপাতালে ৯ জনের চিকিৎসা চলছে। অন্যদিকে, বাড়িতেই সেরে উঠছেন আরও কয়েকজন। জেলার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, CMHO মহাদেব হাসানির নির্দেশে শুক্রবার সকাল থেকেই স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন। এর পাশাপাশি ইনদওর মেডিক্যাল কলেজের একটি দল এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদেরও ঘটনাস্থলে পাঠানো হচ্ছে।
নতুন বছর শুরু হতেই যখন উৎসবে মেতে ছিল গোটা দেশে, শেই সময়ই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যায় মধ্য প্রদেশের ইনদওরে। পানীয় জলে দূষণের কারণে একের পর এক মৃত্যু হয় শহরে। অনেকে প্রাণ হারান বলে খবর। অসুস্থ হয়ে পড়েন বহু মানুষ। প্রাথমিকভাবে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় অন্তত ২০১ জনকে। কাঠগড়ায় তোলা হয় প্রশাসনকে। অভিযোগ ওঠে, দীর্ঘদিন দূষিত জল সরবরাহের কথা জানানো হলেও পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। প্রশাসনিক উদাসীনতায় মৃত্যুমিছিল ? গুরুতর অভিযোগে সরগরম হয়ে ওঠে জাতীয় রাজনীতি। এরই মাঝে ফের বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় (Kailash Vijayvargiya)। মধ্যপ্রদেশে দূষিত পানীয় জলে পরপর মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে। সেই নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন বিজেপি নেতা। কিন্তু প্রশ্ন করায় কৈলাসের রোষে পড়েন সাংবাদিক। সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয়র বিরুদ্ধে । বিজেপি নেতাকে বলতে শোনা যায়, 'তো কী ঘণ্টা হয়েছে?' তবে চুপ করে থাকেননি ওই সাংবাদিক । কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে পাল্টা জবাব দেন তিনি । বলেন, 'আপনি এভাবে কথা বলতে পারেন না। শব্দচয়ন ঠিক করুন।' সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বিজেপিকে নিশানা করে তৃণমূল কংগ্রেস । সাংবাদিকের ভূয়সী প্রশংসা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
স্থানীয়রা দাবি করেন, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও গত ১৫ জানুয়ারি মধ্যপ্রদেশ সরকার হাইকোর্টে যে রিপোর্ট জমা করে সেখানে সাত জনের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। যার মধ্যে ৫ মাসের এক শিশুও ছিল।





















