এক্সপ্লোর
অন্তহীন হয়ে গেল পথ চলা, বাড়ি ফেরা হল না ১৪ শ্রমিকের
গতকালই আওরঙ্গাবাদ থেকে একটি ট্রেন ছাড়ে মধ্য প্রদেশের উদ্দেশে। তাই ট্রেন ধরার জন্য তাঁরা হেঁটে আওরঙ্গাবাদ আসছিলেন।

আওরঙ্গাবাদ: পথ আর একটু বাকি ছিল। আওরঙ্গাবাদ এসে পড়েছিলেন। আর কিছুক্ষণ হাঁটলেই মিলত স্টেশন। কিন্তু সারা রাত হেঁটে আর পারেননি তাঁরা। রেললাইনের ওপর শুয়ে পড়েন। আজ ভোররাতে মালবাহী ট্রেন পিষে দেয় ১৪ জন শ্রমিক ও তাঁদের সন্তানসন্ততিকে। লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের উপাখ্যানে চমকে উঠেছে দেশ। রোজগার বন্ধ, খাবার নেই, ট্রেন বাস চলছে না, তাঁরা হাঁটছেন। কেউ হাঁটছেন কোলে ১৭ দিনের শিশু আঁকড়ে, লঙ্কা ক্ষেতে কাজ করা কোনও বালিকা পথেই লুটিয়ে পড়ছে শেষবারের মত। কোথাও তাঁদের ওপর হচ্ছে লাঠিচার্জ, আবার কোথাও গ্রামের মানুষ বসিয়ে খাওয়াচ্ছেন একবেলার খাবার। এভাবেই বাড়ির পথে হাঁটতে শুরু করেন উত্তর ভারতের নানা রাজ্যের একদল শ্রমিক। তাঁরা কাজ করতেন মহারাষ্ট্রের জালনা জেলায় একটি ইস্পাত কারখানায়। লকডাউনে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হেঁটে বাড়ির পথ ধরেন তাঁরা। গতকালই আওরঙ্গাবাদ থেকে একটি ট্রেন ছাড়ে মধ্য প্রদেশের উদ্দেশে। তাই ট্রেন ধরার জন্য তাঁরা হেঁটে আওরঙ্গাবাদ আসছিলেন। রাস্তা দিয়ে এলে পুলিশ ধরতে পারে, তাই হাঁটছিলেন রেললাইন ধরে। ইচ্ছে ছিল, মধ্য প্রদেশ এসে ট্রেন বদলে নিজের নিজের রাজ্যে যাবেন। রেললাইন ধরে ৬৫ কিলোমিটার হেঁটে তাঁরা পৌঁছন আওরঙ্গাবাদের কারমাড থানা এলাকায়। সাতানা আর কারমাডের মাঝে রেললাইনে শুয়ে পড়েন বিশ্রাম নেওয়ার জন্য। ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ছুটে আসে ট্রেন। আওরঙ্গাবাদের গ্রামীণ পুলিশের সুপারিনটেন্ডেন্ট মোক্ষদা পাটিল, আরপিএফ ও কারমাড থানার পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। আহত ৫ শ্রমিককে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
Before You Go
Nandigram By-Election। নন্দীগ্রামে প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করলেন 'মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস'-র প্রার্থী। TMC News





















