কৈলাশ মানস সরোবর: নেপালে আটকে দেড় হাজার তীর্থযাত্রী, চলছে উদ্ধার কাজ, উদ্বেগপ্রকাশ মোদীর

নয়াদিল্লি ও কাঠমান্ডু: মানস সরোবর যাত্রায় গিয়ে নেপালে আটকে পড়েছেন প্রায় দেড় হাজার ভারতীয় তীর্থযাত্রী। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগপ্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নেপাল সরকারের সহায়তায় শুরু হয়েছে উদ্ধারপ্রক্রিয়া।
খবরে প্রকাশ, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কারণে তিব্বত সীমান্তের কাছে নেপালে আটকে পড়েছেন ওই তীর্থযাত্রীদের দল। জানা গিয়েছে, মানস সরোবর থেকে ফেরার সময় প্রবল বৃষ্টির সম্মুখীন হন তীর্থযাত্রীরা। পার্বত্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রতিকূল হওয়ার ফলে তীর্থাত্রীরা আটকে পড়েন।
কাঠমান্ডুর ভারতীয় দূতাবাসের তরফে জানানো হয়, হুমলা জেলার সিমিকোটে ৫২৫ জন আটকে পড়েন। হিলসায় আটকে পড়েছেন ৫৫০ জন এবং বাকিরা তিব্বতের দিকে আটকে রয়েছেন। ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের আটকে পড়ার খবরে দ্রুত ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ দেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ।
একাধিক টুইটের মাধ্যমে সুষমা জানান, তীর্থযাত্রী ও তাঁদের পরিবার-পরিজনের জন্য হটলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, সামরিক হেলিকপ্টার করে যাতে তীর্থযাত্রীদের নিরাপদ জায়গায় ফেরত দেওয়া যায়, তার জন্য নেপাল প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া হয়েছে। উদ্ধারকার্যে সহায়তা করতে নেপালগঞ্জ ও সিমিকোটে পৌঁছেছেন ভারতীয় দূতাবাসের আধিকারিকরা।
জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১০৪ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এর জন্য সাতটি বাণিজ্যিক বিমান ব্যবহার করা হয়েছে। গোটা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে বিদেশমন্ত্রক। এদিনই, তীর্থযাত্রীদের আটকে পড়া নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উদ্ধারকার্যের সঙ্গে জড়িত আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের যথাসম্ভব সাহায্য করতে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সিমিকোটে স্বাস্থ্য শিবির খোলা হয়েছে। সেখানে চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এরমধ্যেই ২ তীর্থযাত্রী মারা গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। একজন কেরল ও অন্যজন অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা।প্রতিবছর কয়েক হাজার তীর্থযাত্রী প্রতিকূল আবহাওয়া ও পরিবেশের মধ্যে দিয়ে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রায় অংশ নেন। প্রসঙ্গত, হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈনদের কাছে এই যাত্রা অত্যন্ত পূন্যের।






















