এক্সপ্লোর
কেজরীবালের ইস্তফা দাবি, সদস্যপদ খারিজ প্রক্রিয়ায় দেরি করিয়ে আপের সুবিধা করে দিয়েছে বিজেপি, কমিশন, অভিযোগ কংগ্রেসের

নয়াদিল্লি: দিল্লিতে ক্ষমতাসীন অরবিন্দ কেজরীবালের আমআদমি পার্টি (আপ)-র ২০ বিধায়কের সদস্যপদ সরকারি পদে থেকেও লাভজনক পদে বহাল থাকায় বাতিল হয়ে যাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালের ইস্তফা চাইল কংগ্রেস। ওই ২০টি বিধায়ক পদে উপনির্বাচন হতে চলেছে। এজন্য তাঁরা তৈরি বলে জানিয়েছেন দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অজয় মাকেন। তিনি ফের আজ অভিযোগ করেন, সদস্যপদ বাতিলের প্রক্রিয়ায় দেরি করিয়ে দিয়ে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন আপ-কে সাহায্য করেছে যাতে ওরা তিনজন প্রার্থীকে রাজ্যসভায় পাঠাতে পারে। ২২ ডিসেম্বর আপের তিন প্রার্থী রাজ্যসভায় নির্বাচিত হওয়ার পর আগেই যদি কমিশন ওই সুপারিশ পাঠাত, তবে 'ঘরোয়া কোন্দলে'ই আপ ভেঙে যেত। সদস্যপদ খোয়ানো বিধায়কদের বক্তব্য জানানোর সুযোগ দেয়নি কমিশন, আপের এই অভিযোগ উড়িয়ে মাকেনের দাবি, বিজেপি ও আপের মধ্যে হওয়া ডিলের জন্য ওই ইচ্ছাকৃত বিলম্ব, জেনেশুনেই তা করেছে কমিশন। মাকেন বলেন, কমিশনের ফুল বেঞ্চ ওদের ১১টা দিন শুনানির সুযোগ দিয়েছিল। আপ এ ব্যাপারে মিথ্যাচার করছে। আমার কথা মিথ্যা হলে আপ মামলা করুক। নথিপত্রেই প্রমাণিত, আপ বিধায়করা সংসদীয় সচিব পদে থাকার সুবাদে সরকারি দপ্তর, আসবাবপত্র, যাতায়াতের খরচ ও অন্য নানা সুবিধা পেয়েছেন। মাকেন বলেন, কেজরীবাল শাসন করার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন। ২০ দলীয় বিধায়কের সদস্যপদ খারিজ হওয়ার পর ওনার ইস্তফা দেওয়া উচিত। এই দাবিতে আগামীকাল মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে কংগ্রেস বিক্ষোভ দেখাবে বলে জানান তিনি। বলেন, আমরা প্রস্তুত ২০টি আসনে সম্ভাব্য উপনির্বাচনের ব্যাপারে। ২৬ জানুয়ারির পর কর্মিসভা করব। তিন বছর আগের ভুল এবার মানুষ শুধরে নেবে, আশা করছি।
Before You Go
Chandrima Bhattacharya: 'বিশ্বাসযোগ্যতা যখন প্রশ্নের মুখে পড়ে, তখন ফেরার প্রশ্ন নেই', বললেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য
সেরা শিরোনাম
বিনোদনের
ক্রিকেট
জেলার
ব্যবসা-বাণিজ্যের

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















