এক্সপ্লোর
অর্থনীতি নিয়ে মুখোমুখি পিতা-পুত্র, যশবন্তের অভিযোগের জবাব দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়ন্ত

নয়াদিল্লি: বাবার আক্রমণের জবাব দিতে এবার আসরে পুত্র। গতকাল একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত নিবন্ধে অর্থনীতির হাল নিয়ে নরেন্দ্র মোদী সরকার ও অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলিকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিন্হা।এবার যশবন্তের পুত্র কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়ন্ত সিনহা সরকারের আর্থিক নীতির পক্ষে সওয়াল করে বলেছেন, নতুন ভারত গড়তে ও লক্ষ লক্ষ মানুষের হাতে কাজ তুলে দিতে কেন্দ্র অর্থনীতির কাঠামোগত সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছে। তাঁর দাবি, যে নয়া অর্থনীতি গড়ে উঠছে তা হবে অনেক বেশি স্বচ্ছ, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় সক্ষম এবং উদ্ভাবনমূলক। তাঁর আরও দাবি, নয়া অর্থনীতিতে অনেক বেশি সমতা থাকবে যাতে সমস্ত ভারতীয়ই সুষ্ঠু জীবনযাপনের সুযোগ পাবেন। এদিন একটি সংবাদমাধ্যমে সম্পাদকীয় পৃষ্ঠায় নিজের এই বক্তব্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অসামরিক পরিবহণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী জয়ন্ত সিনহা। সংবাদমাধ্যমে গতকালের প্রকাশিত নিবন্ধে যশবন্ত জেটলির বিরুদ্ধে অর্থনীতিতে বিশৃঙ্খলা তৈরির অভিযোগ আনেন। তিনি এ জন্য তড়িঘড়ি জিএসটি চালুর ও প্রধানমন্ত্রীর নোট বাতিলের সিদ্ধান্তকেও দায়ী করেন। বাজপেয়ী জমানার অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বাজারে তেলের কম দামের হাত ধরে যে-সুযোগ জেটলি পেয়েছিলেন, গত ক’বছরে তা কাজে লাগাতে পারেননি। এখন ত্রাণ প্রকল্প ঘোষণা বা আর্থিক উপদেষ্টা পরিষদ তৈরি করেও লোকসভা ভোটের আগে অর্থনীতির হাল ফেরানো অসম্ভব বলেও মন্তব্য করেন যশবন্ত। এদিন প্রকাশিত নিবন্ধে জয়ন্ত সিনহা অবশ্য বাবার পর্যালোচনার সরাসরি কোনও উল্লেখ করেননি। কিন্তু তিনি বলেছেন, যে সব নিবন্ধে অর্থনীতি সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে সেগুলিতে কিছু সংকীর্ণ তথ্য থেকে উপসংহার টেনে দেওয়া হচ্ছে। অর্থনীতির সামগ্রিক রূপান্তরের জন্য গৃহীত মৌলিক কাঠামোগত সংস্কারের বিষয়টি উপেক্ষা করে এ ধরনের মন্তব্য করা হচ্ছে। তাঁর আরও দাবি, এই যে কাঠামোগত সংস্কারের কাজ চলছে তাকে একটা বা দুটো ত্রৈমাসিকের ডিজিপি-র হার ও অন্যান্য কয়েকটি তথ্যের বিচারে মূল্যায়ণ করা যায় না। ভারতীয় অর্থনীতিকে বিধিবদ্ধ করে তোলার প্রচেষ্টা হিসেবে তিনি জিএসটি ও নোটবাতিলের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন।
Before You Go
Suvendu Adhikari : শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তীতে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূলকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















