এক্সপ্লোর
দেশের নিরাপত্তার সামনে বিপদ, রিপোর্ট এজেন্সির, দিল্লিতে বসবাসকারী পাকিস্তানি মহিলার আর্জি খারিজ করে ২ সপ্তাহে ভারত ছাড়তে বলল দিল্লি হাইকোর্ট

নয়াদিল্লি: এক পাকিস্তানি মহিলাকে ২ সপ্তাহের মধ্যে ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের। ওই পাক মহিলা দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপদ হতে পারেন, এমন রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁকে চলে যেতে বলল আদালত। ২০০৫ সালে এক ভারতীয় নাগরিকের সঙ্গে বিয়ের পর এদেশে আসেন ৩৭ বছর বয়সি ওই মহিলা। স্বামী ও ১১, ৫ বছরের দুই পুত্রসন্তানকে নিয়ে তিনি দিল্লিতেই থাকেন। তাঁকে আগেই ভারত ছাড়তে বলে নোটিস দেওয়া হয়েছিল। দিল্লি হাইকোর্টে সেই নোটিস খারিজের আবেদন জানান তিনি, তাঁর স্বামী। আজ বিচারপতি ভিখু বাখরু কেন্দ্রের ভারত ছাড়ার নোটিস খারিজের আর্জি নাকচ করে জানিয়ে দেন, এখানে থাকার আইনি অধিকার নেই ওঁর। অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল মনিন্দর আচার্য্য ও কেন্দ্রের স্ট্যান্ডিং কাউন্সেল অনুরাগ অহলুওয়ালিয়া আজ সওয়াল করেন, নিরাপত্তা সংস্থাগুলি ওই মহিলা সম্পর্কে নেতিবাচক রিপোর্ট দিয়ে বলেছে, তিনি দেশের সামনে বিপদ হতে পারেন। তাঁকে নোটিস দেওয়ায় বেআইনি কিছুও হয়নি। হাইকোর্ট বলে, তারা মহিলা সম্পর্কে পাওয়া সব ইনপুট যাচাই করেছে, সরকার তাঁকে একতরফা নোটিস দিয়েছে, আবেদনকারী মহিলার এহেন অভিযোগ মানা যাচ্ছে না। তিনি ভারতে বসবাসের আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ভারত ছাড়ার নোটিসের প্রেক্ষিতে তাঁর ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চলে যাওয়া উচিত ছিল। তবে আজ সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ২ সপ্তাহ স্থির করেছে আদালত। আগের ৭ ফেব্রুয়ারির নোটিসে বলা হয়েছিল, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ভারত ছাড়তে না পারলে ওই মহিলার বিরুদ্ধে দেশের আইন অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, ভবিষ্যতে তাঁর এদেশে পা রাখা বন্ধ হয়ে যাবে। তবে আদালত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওই মহিলার বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা থেকেও বিরত থাকতে বলেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। ওই মহিলা আবেদনে জানান, তাঁকে দীর্ঘমেয়াদি ভিসা দেওয়া হয়েছিল যার মেয়াদ রয়েছে ২০১৫-র জুন থেকে ২০২০-র জুন পর্যন্ত। বিয়ের পর থেকেই তিনি দিল্লিতে রয়েছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বেআইনি পদক্ষেপের ফলে আবেদনকারীদের অধিকার, স্বার্থ বিঘ্নিত হতে চলেছে, যদিও এতে তাঁদের কোনও দোষ, অন্যায় নেই।
আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
ব্যবসা-বাণিজ্যের
ব্যবসা-বাণিজ্যের
ফ্যাক্ট চেক
আইপিএল
























