এক্সপ্লোর
’৬২-র যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়েছে ভারত, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ফিরে পেতে চায় দেশ: জেটলি

নয়াদিল্লি: চিনের সঙ্গে সীমান্ত সংক্রান্ত সংঘাতের মধ্য প্রতিরক্ষামন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছেন, দেশের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য যে কোনও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী। জেটলি বলেছেন, ভারতীয় বাহিনী যথেষ্ট শক্তিশালী। তিনি বলেছেন, ১৯৬২-র যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়েছে ভারত। রাজ্যসভায় এদিন ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ৭৫ তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিশেষ বিতর্কে যোগ দিয়ে জেটলি বলেছেন, ১৯৪৮-এর পর জম্মু ও কাশ্মীরের যে অংশ পাকিস্তান দখল করে রেখেছে তা ফিরে পেতে চায় দেশের মানুষ। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, বিগত কয়েক দশকে ভারত বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। আর প্রত্যেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হয়েছে দেশ। জেটলি বলেছেন, ১৯৬২-তে চিনের সঙ্গে যুদ্ধ থেকে ভারত শিক্ষা নিয়েছিল যে, সশস্ত্র বাহিনীকে পুরোদস্তুর সক্ষম করে তুলতে হবে। কারণ, এখনও ভারতকে প্রতিবেশী দেশগুলির কাছ থেকে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে। জেটলি বলেছেন, ১৯৬২-র তুলনায় ১৯৬৫ এবং ১৯৭১-এর সময় সশস্ত্র বাহিনী আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। ১৯৬৫ ও ৭১-এর যুদ্ধে ভারত পাকিস্তানকে পর্যুদস্ত করেছিল। জেটলি বলেছেন, এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কিছু লোক দেশের সার্বভৌমত্ব ও সংহতিকে নিশানা করছে। সেই চ্যালেঞ্জ পূর্ব বা পশ্চিম -যে কোনও সীমান্ত থেকেই আসুক না কেন, ভারতের বীর সেনারা দেশকে নিরাপদ রাখার ব্যাপারে সম্পূর্ণ সক্ষম। দেশের স্বার্থে যে কোনও আত্মবিসর্জনে প্রস্তুত সশস্ত্র বাহিনী। ডোকলামে দীর্ঘ প্রায় দুই মাসব্যাপী ভারত-চিন অচলাবস্থা চলার মাঝে জেটলির এই মন্তব্য অত্যন্ত তাত্পর্য্যপূর্ণ। যদিও তাঁর ভাষণে ডোকলাম সমস্যার উল্লেখ করেননি জেটলি। জেটলি আরও বলেছেন, স্বাধীনতার পর প্রাথমিকভাবে একটা সংকটের মুখে পড়তে হয়েছিল। প্রতিবেশী দেশের নজর পড়েছিল কাশ্মীরে। দেশের একটা অংশ আলাদা হয়ে গিয়েছিল। সে কথা আজও ভুলতে পারেনি দেশের মানুষ। ওই অংশ পুনরুদ্ধার করার পক্ষে প্রত্যেক ভারতবাসী।
Before You Go
ISKCON removes Radharaman Das: রাধারমণ দাসকে সমস্ত পদ থেকে সরাল ইস্কন

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















